বাংলাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত—স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (DGHS) জানিয়েছে, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ (৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২) এর পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় চারজন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে এবং ৯২০ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
বিভাগভিত্তিক রোগীর সংখ্যা: বরিশাল ১৪৬, চট্টগ্রাম ১১৬, ঢাকা (বিভাগ) ১৪৭, ঢাকা শহর: উত্তর ২১১, দক্ষিণ ১৫১, খুলনায় ৭২, ময়মনসিংহে ৬৫, রংপুরে ২ এবং সিলেটে ১০ জন রোগী পাওয়া গেছে। দেশের মোট সংক্রমণ সংখ্যা ৮৬,৯২৪; এখন পর্যন্ত ৩৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগের বছর (২০২৪) পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,০১,২১৪ জন এবং মৃত্যু ৫৭৫ জন। World Health Organization (WHO) বলছে, বর্তমানে বিশ্বে জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি মানুষের ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, প্রতি বছর ১০ থেকে ৪০০ মিলিয়ন ডেঙ্গু সংক্রমণ ঘটে।
ডেঙ্গুর প্রতিকার ও নিয়ন্ত্রণ এখনো সম্পূর্ণ নির্ভর করছে মশা নিয়ন্ত্রণ বা ভেক্টর কন্ট্রোলের ওপর। এ পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই, তবে দ্রুত চিহ্নিতকরণ ও সময়মতো হাসপাতাল সেবা দিলে ডেঙ্গুর মারাত্মক রূপে মৃত্যুর হার অনেক কমে।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল—সব বিভাগে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যুর হার রোধে পৌরসভা, স্বাস্থ্য বিভাগ ও নাগরিকদের সমন্বিত কার্যক্রম জরুরী।
ডেঙ্গুর বিস্তার ও বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘরে ঘরে mosquito-control, জনসচেতনতা বাড়ানো, এবং সরকারি উদ্যোগ জোরদার না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।