রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় সুবিদখালী দারুস সুন্নাত ফাজিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন আলতাফ হোসেন চৌধুরী।
তিনি বলেন, “ভারত পাকিস্তানকে ভাঙতে চেয়েছিল। ৭১-এ পাকিস্তান ভেঙেছে, কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য ভারত কিছুই করেনি। যুদ্ধের পরে লুটপাট করে ইন্ডিয়ান আর্মি কত বিলিয়ন ডলারের জিনিসপত্র নিয়ে গেছে তা কেউ জানে না। তখন সাংবাদিকরা তাদের বিরুদ্ধে লিখতে সাহস পাননি।”
আলতাফ হোসেন চৌধুরী আরও বলেন, “শেখ হাসিনা যখন পালিয়ে যান, পৃথিবীর কোনো দেশ তাকে আশ্রয় দেয়নি। একমাত্র ভারত আশ্রয় দিয়েছিল। তাকে ইন্ডিয়ান আর্মি ক্যাম্পে রাখা হয়েছিল। দিল্লি থেকে বার্তা কার্যকর করতে কলকাতায় অফিসও করে দেওয়া হয়েছিল।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম খোকন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাকসুদ আহমেদ বাইজিদ পান্না, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মহসিন উদ্দিন, শ্রমিক দলের সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন হাওলাদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সভায় মোট ২০ জনেরও বেশি স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন এবং শতাধিক নেতা-কর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
প্রেক্ষাপট:
আলতাফ হোসেন চৌধুরীর এ বক্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক মহলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্যের ব্যাখ্যা এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়া আসার সম্ভাবনা রয়েছে।