বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে মাটির ব্যবসা নিয়ে বিরোধে খোরশেদ আলমকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা; তিন দিনে উপজেলায় দ্বিতীয় খুন

সদর উপজেলার দিলসাদপুরে বুধবার দুপুরে গুলিতে নিহত হয়েছেন খোরশেদ আলম (৪৫); স্ত্রী ও মেয়ে প্রতিপক্ষের একজনের নাম উল্লেখ করে হত্যার অভিযোগ করেছেন।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় মাটির ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের লোকজন ডেকে নিয়ে খোরশেদ আলম (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বেলা দেড়টার দিকে সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলসাদপুর গ্রামে খাঁনের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপজেলায় তিন দিনের ব্যবধানে এটি দ্বিতীয় হত্যাকাণ্ড।

নিহত খোরশেদ আলম ওই গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে। তাঁর দুই ছেলে ও এক মেয়ে আছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও মাদকসহ একাধিক মামলা ছিল। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এলাকায় তিনি ‘খোরশেদ বাহিনীর প্রধান’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

নিহতের স্ত্রী আকলিমা আক্তার জানান, খোরশেদ মাটির ব্যবসা করতেন। বুধবার দুপুরে মোরশেদ ও মজিদ নামের দুজন তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। কিছু দূর যাওয়ার পরই গুলির শব্দ শুনে তিনি দৌড়ে গিয়ে দেখেন স্বামীর বুক রক্তে ভিজে যাচ্ছে। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মৃত্যু হয়।

আকলিমা আক্তার ও তাঁদের মেয়ের অভিযোগ, ওয়ালিদ নামের এক ব্যক্তি মাটির ব্যবসা নিয়ে আগেও খোরশেদকে নানাভাবে হুমকি দিয়েছেন এবং তিনিই গুলি করেছেন। স্বামীকে হারিয়ে এখন নিজেদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কায় আছেন বলে জানান আকলিমা। তাঁর আশঙ্কা, পরিবারের অন্য সদস্যরাও হামলার শিকার হতে পারেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, খোরশেদের বুকে গুলির চিহ্ন ছিল। স্বজনেরা তাঁকে মৃত অবস্থায় লক্ষ্মীপুর জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, গুলিবিদ্ধ হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।