পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার রবিবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, “১৯৭৪ সালে প্রথমবারের মতো বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়। সেই সময়ের দলিল দুই দেশের জন্যই ছিল একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা। এরপর জেনারেল পারভেজ মোশাররফ বাংলাদেশ সফরে এসে প্রকাশ্যে ও খোলামনে বিষয়টির সমাধান করেন। ফলে একবার ১৯৭৪ সালে এবং আরেকবার ২০০০ সালের শুরুর দিকে সমাধান হয়েছে।”
দুই দিনের সফরে গতকাল শনিবার ঢাকায় আসেন ইসহাক দার। পাকিস্তান বিমানবাহিনীর বিশেষ ফ্লাইটে দুপুরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম।
সফরের প্রথম দিনেই বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সঙ্গে তিনি পৃথক বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে তিনি দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক অঙ্গীকারের বিষয় আলোচনা করেন।
রবিবার সকালে দার বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে প্রাতঃরাশ বৈঠক করেন। এরপর তিনি পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেন। এরই ধারাবাহিকতায় দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনাও অনুষ্ঠিত হয়।
ইসহাক দার জানান, পাকিস্তান পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্বার্থের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায়। রাজনৈতিক পরিসর ছাড়াও বাণিজ্য, সংস্কৃতি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাকিস্তান বাংলাদেশকে অংশীদার হিসেবে দেখতে আগ্রহী।