বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

মাওয়ায় পদ্মায় গোসলে নেমে নিখোঁজ দুই পর্যটকেরই লাশ উদ্ধার, ৪৩ ঘণ্টা পর মিলল রাসেলের মরদেহ

রাজধানী থেকে ঘুরতে আসা আটজনের দলের দুজন সোমবার পদ্মায় নিখোঁজ হন; মঙ্গলবার একজনের এবং বুধবার সকালে অপরজনের লাশ পাওয়া গেছে।

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তে পদ্মা নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হওয়া দুই পর্যটকেরই লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকালে নিখোঁজ থাকা অপরজন রাসেলের (৩৫) লাশ পাওয়া গেছে, ঘটনার প্রায় ৪৩ ঘণ্টা পর।

মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মালেক খসরু খান জানান, বুধবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঘটনাস্থলের আনুমানিক পাঁচ কিলোমিটার দূরে উপজেলার পুরোনো থানা জামে মসজিদসংলগ্ন বড় নওপাড়া এলাকার পদ্মা থেকে ভাসমান অবস্থায় রাসেলের লাশ উদ্ধার করা হয়। রাসেল বরগুনার আমতলী থানার গুলশাখালী গ্রামের মরহুম আ. রহমান মৃধার ছেলে।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থলের প্রায় ২০০ গজ দূরে পদ্মা থেকে মারুফ হোসেনের (৪০) লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। পদ্মা নদীর চায়না প্রজেক্টের স্পিডবোট ঘাটের কাছে লাশটি ভাসতে দেখে নৌ পুলিশ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সহযোগিতায় তা তীরে তোলে।

মাওয়া নৌ পুলিশ ও মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস জানায়, রাজধানীর খিলগাঁও থেকে একটি প্রতিষ্ঠানের অফিস কর্মকর্তাসহ আটজনের একটি দল সোমবার দুপুরের দিকে মাওয়া পুরোনো লঞ্চঘাট এলাকায় ঘুরতে আসেন। একপর্যায়ে সবাই চর ধরে হেঁটে পদ্মা সেতুর ৪ ও ৫ নম্বর পিলারের পশ্চিম পাশে গোসল করতে নামেন। তাঁদের মধ্যে ছয়জন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও বাকি দুজন নিখোঁজ হন।

খবর পেয়ে মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, মাওয়া নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ড উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দ্বিতীয় দিনে মারুফের লাশ পাওয়া যায়; রাসেলকে খুঁজে পেতে অভিযান চলতে থাকে। ইনচার্জ মালেক খসরু খান জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে রাসেলের লাশও পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।