বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

নীলফামারীতে ব্রি-৯৮ ধানের চাষে কৃষকের আগাম আলুর আশা ও লাভবান হওয়া

প্রথমবারের মতো নীলফামারীতে ব্রি-৯৮ ধান চাষ করে নতুন সম্ভাবনার দিকে এগোচ্ছেন কৃষকেরা।

নীলফামারীতে ব্রি-৯৮ ধানের চাষে কৃষকের আগাম আলুর আশা ও লাভবান হওয়া
নীলফামারী জেলার কৃষকেরা নতুন ধরন ব্রি-৯৮ ধানের চাষ করে আলুর আগাম চাষের সম্ভাবনাকে জোরদার করছেন। ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত এই ধানটি মোশফিকুরসহ এলাকার অনেকে চাষ করেছেন, যা সময়ে ফসল কাটা ও পরবর্তী আলু চাষের প্রস্তুতির সময় দেয়। বৃহত্তর এলাকায় ব্রি-৯৮ ধান চাষ করে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন। শামীম হোসেন জানান যে, আগাম আলু চাষের জন্য ধানটি বিশেষ উপযোগী। স্বপন মন্ডল বলেন, ধান পাকার সাথে সাথে ফসল কাটা হচ্ছে যা দ্রুত আলু লাগানোর সুবিধা তৈরি করে। কৃষকদের মতে, ব্রি-৯৮ ধান রোপণ করলে প্রতি বিঘা জমিতে ২০ থেকে ২৫ মণ পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। ওই ইউনিয়নে মোট ৪৫ বিঘা জমি এ ধানের আওতায় আনা হয়েছে এবং খোলাহাটি গ্রামে ৩০ বিঘা জমিতে একইভাবে উৎপাদন চলছে। আজকের বাজার দরের মধ্যে এই ধান চাষে কৃষকেরা ব্যাপক উপকৃত হচ্ছেন। মোশফিকুরের মতে, সেচের অভাব যেন ফসল উৎপাদনে কোনো প্রভাব ফেলেনি। বরং প্রচলিত জাতের তুলনায় দ্বিগুণ লাভ পেয়েছেন তারা। ব্রি-৯৮ ধান পোকামাকড় ও রোগের আক্রমণ প্রতিরোধ প্রমাণিত হওয়ায় নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হয়নি। এই ধরনের ধান চাষ দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করে কর্তৃপক্ষ। হোমায়রা মন্ডল জানান, এলাকায় বিপুল পরিমাণে আগাম আলু চাষ হয় যাতে অর্থনৈতিকভাবে এলাকার উন্নতি সাধিত হয়।