প্রচারের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম থেকে মনোযোগ সরানোর চেষ্টা: রিজভী
সরকারবিরোধী প্রচারের মধ্যেও শক্তিশালী অর্থনীতির জন্য ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।
রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন যে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড থেকে মনোযোগ সরাতে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। নেত্রীর নেতা দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন বিভিন্ন কর্মসূচির দিকে, যা উন্নয়ন ও উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছে। তিনি একথাও উল্লেখ করেছেন যে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
জ্বালানি তেলের মূল্য এবং সরকারের ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন রিজভী। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১১৫ টাকা, যা ভারতের তুলনায় কম। ভারতসহ অন্যান্য দেশে তেলের মূল্য অধিক হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ তুলনামূলক কম দামে তেল বিক্রি করছে। তবে মুনাফা কমাতে সরকারের অতিরিক্ত লোকসান হলেও জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করেই সরকার এটা করছে।
রিজভী জানান যে সরকার গ্যাস এবং জ্বালানি তেল আমদানির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে স্থানীয় জ্বালানি সরবরাহের নিশ্চয়তা থাকে। তিনি আরও বলেন, সরকারের উদ্যোগগুলোকে ব্যর্থ প্রমাণ করার জন্য বিভিন্ন কুচক্রীমহল সংগঠিত হয়ে দुष্প্রচারে লিপ্ত হয়েছে। সরকার তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেবে।
এই প্রচারণা মোকাবিলার জন্য বিএনপি তাদের নিজস্ব প্রচারাভিযান শুরু করার পরিকল্পনা করেছে বলে জানান রিজভী। তিনি আরও বলেন যে প্রধানমন্ত্রী নতুন নিয়মের অধীনে জাতিসংঘে ৩৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছেন যা প্রমাণ করে দেশীয় অর্থনীতির সুরক্ষা ও অগ্রগতিতে তার অগ্রাধিকার।
রিজভী এই প্রতিনিধিদলের আকার উল্লেখ করে বলেন যে পুরনো সরকারের অধীনে শুরু করা অসংখ্য সেবানির্ভর খরচের পরিবর্তে বর্তমান অবস্থায় সরকার অর্থনৈতিক অগ্রাধিকারকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।