শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

এইচএসসিতে ২৯৩টি প্রতিষ্ঠানে একজনও পাস করেননি, শতভাগ পাস ১৩৯টিতে

গত বছর শূন্য পাস প্রতিষ্ঠান ছিল ২০২টি, তার আগের বছর ৬৫টি।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছেন, অর্থাৎ ওই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে কেউ পাস করেননি। এবার শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৩৯টি।

গত বছর শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি। তার আগের বছর, ২০২৪ সালে এমন প্রতিষ্ঠান ছিল ৬৫টি। অর্থাৎ দুই বছরে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা চার গুণের বেশি হয়েছে।

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। ২০২৫ সালে এ হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ; অর্থাৎ গতবারের চেয়ে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশীয় পয়েন্ট।

শনিবার বেলা ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই ফলাফল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অনলাইনে একযোগে প্রকাশ করা হয়। আগের ঘোষণা অনুযায়ী ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের কথা থাকলেও পরে তারিখ বদলে শনিবার নির্ধারণ করা হয়।

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী নিবন্ধিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং সর্বোচ্চ ফল জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থী মিলিয়ে সংখ্যাটি ১২ লাখের বেশি হলেও কিছুসংখ্যক পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট থেকে অথবা যেকোনো মুঠোফোন থেকে ১৬১৪০ নম্বরে খুদে বার্তা পাঠিয়ে ফল জানতে পারছেন। উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের জন্য অনলাইনে ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। এবারের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২ জুলাই।