শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬

ঢাবির ভাস্কর্য বিভাগের চেয়ারম্যান নিয়োগ কেন বেআইনি নয়, জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল

জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের অভিযোগে করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য বিভাগের চেয়ারম্যান আবু আবেদীন মো. কাওসার হাসানের নিয়োগসংক্রান্ত চিঠি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ভাস্কর্য বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে আবু আবেদীন মো. কাওসার হাসানের নিয়োগসংক্রান্ত চিঠি কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রুল দেন।

গত ২১ সেপ্টেম্বর এক চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কাওসার হাসানকে বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়। জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের অভিযোগে এ নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিটটি করেন একই বিভাগের শিক্ষক লালা রুখ সেলিম।

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, বিভাগের বিদায়ী চেয়ারম্যানের তিন বছরের মেয়াদ শেষ হয় ২৯ সেপ্টেম্বর। বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের রীতি অনুযায়ী, চেয়ারম্যানের মেয়াদ শেষের এক মাস আগে কর্তৃপক্ষ দায়িত্বে থাকা চেয়ারম্যানকে পরবর্তী চেয়ারম্যান নিয়োগের বিষয়ে অবহিত করে থাকে, কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা করা হয়নি। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ১৫ সেপ্টেম্বর ভাস্কর্য বিভাগের একাডেমিক কমিটির সভায় জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে লালা রুখ সেলিমকে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিতে রেজিস্ট্রারকে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে তৎকালীন চেয়ারম্যানকে পরবর্তী চেয়ারম্যান নিয়োগের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়।

রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী ইয়াসির আরফাত খান ও আরিফুর রহমান। জ্যোতির্ময় বড়ুয়া জানান, লালা রুখ সেলিমকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সহ-উপাচার্য (প্রশাসন), রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও ভাস্কর্য বিভাগের চেয়ারম্যানকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলেছেন আদালত।