চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীবাহী বাসের পেছনে মালবাহী লরির ধাক্কায় পাঁচজন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন। সোমবার গভীর রাতে উপজেলার কুমিরা রয়েল গেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে একটি শিশু, তিনজন নারী ও একজন পুরুষ রয়েছেন।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, চট্টগ্রাম থেকে নেত্রকোনার উদ্দেশে ছেড়ে আসা বাসটি কুমিরা রয়েল গেট এলাকায় পৌঁছালে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। তখন বাসটি মহাসড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে মেরামতের কাজ চলছিল। এ সময় পেছন দিক থেকে একটি পণ্যবাহী লরি সজোরে ধাক্কা দিলে বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলেই তিন যাত্রীর মৃত্যু হয়। আহত ১২ জনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজন মারা যান বলে পুলিশ জানিয়েছে।
নিহতদের মধ্যে ছয় বছর বয়সী এক শিশু ও ২৬ বছর বয়সী এক নারীর পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁদের বাড়ি নেত্রকোনায়। বাকি তিনজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি; তাঁদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
একই সময়ে দেশের অন্যান্য স্থানেও সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ঘটেছে। মাগুরা সদর উপজেলার মাগুরা–ফরিদপুর মহাসড়কের রামনগর ঠাকুরবাড়ি এলাকায় মঙ্গলবার সকাল আটটার দিকে দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২৫ বছর বয়সী এক আরোহী নিহত হন। গুরুতর আহত অপর আরোহী মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রামনগর হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক জানান, দুর্ঘটনাগ্রস্ত মোটরসাইকেল দুটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সোমবার বিকেলে বিরিশিরি ইউনিয়নের দেওটুকুন চৌরাস্তা মোড়ে দ্রুতগামী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় পঞ্চাশোর্ধ্ব এক অজ্ঞাতপরিচয় নারী নিহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাস্তা পার হওয়ার সময় তিনি ধাক্কা খেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে যান। স্থানীয়রা তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।