নাহিদ ইসলামের জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি
সরকারের অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনার খেসারত দেশের ১৮ কোটি মানুষকে দিতে হচ্ছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জ্বালানি তেলের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। ২১ সেপ্টেম্বর সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ দাবি জানান। নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারের নজিরবিহীন অদক্ষতা এবং অব্যবস্থাপনার খেসারত দেশের ১৮ কোটি মানুষকে দিতে হচ্ছে। এ কারণে বিকল্প সমাধানের মাধ্যমে সংকট মোকাবিলায় রাষ্ট্রের ব্যয় পুনর্বিন্যাস করার উপর জোর দেন তিনি। আরও বলেন, জনগণের ওপর অসহনীয় বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে সরকার।
নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন যে সরকারের কারণে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য চলতি অর্থবছরে ৪৪ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তিনি এই অর্থ বরাদ্দের যৌক্তিকতার বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং কর ও শুল্ক কমানোর আহ্বান জানান।
সরকার পক্ষ থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যয়সহ বিভিন্ন কারণ দেখানো হচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বড় ধরনের লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে বলেও দাবি করে সরকার।
তবে নাহিদ ইসলাম জানান যে এই অজুহাতে জনগণের ওপর বাড়তি বোঝা চাপানোর পরিবর্তে রাষ্ট্রের অন্যান্য খাতে ব্যয় পুনর্বিন্যাস করে কিছুটা স্বস্তি দেওয়া যেতে পারে। পে স্কেলের পাশাপাশি জ্বালানি তেলের আমদানিতে কর ও শুল্ক কমানোর উদ্যোগ নেওয়ায় পরামর্শ দেন তিনি।
এই পরিস্থিতিতে নাহিদ ইসলাম জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, এর ফলে দেশের সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে।