বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিরসনে এক সপ্তাহ সময় প্রয়োজন: নসরুল হামিদ
দেশব্যাপী বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিরসনে সময় চেয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসভবনে গতকাল বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ স্বীকার করেন যে, বিদ্যুৎ বিভাগ সারাদেশে নির্ধারিত সময়মতো বিদ্যুৎ বিভ্রাট আরোপ করতে পারেনি। তিনি বলেন, বেশ কিছু এলাকায় লোডশেডিং এক ঘণ্টার বেশিকাল ধরে চালু ছিল। নসরুল হামিদ উল্লেখ করেন, ফিডার বন্ধ করার পর বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু হতে ২-৩ ঘণ্টা সময় লাগে। আরো জানা যায়, কিছু এলাকায় এ জন্য ৪ ঘণ্টা সময়ও লাগছে।
সরকার জ্বালানি খরচ কমাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে সময়াবলী অনুযায়ী বিদ্যুৎ কাটা ব্যবস্থা করেছে। এ সময় জ্বালানি সংকটের সময় কেবলমাত্র বিশেষ পরিস্থিতিতে গ্রাহকরা এ পরিস্থিতি মেনে নিচ্ছে বলে প্রতিমন্ত্রী মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে লোডশেডিংয়ের জন্য নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।
নসরুল হামিদ আশাবাদ প্রকাশ করেন যে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। বিদ্যুতের চাহিদা পরবর্তী মৌসুমে ধীরে ধীরে কমে আসবে। তবে বর্তমানে বিদ্যুৎ সরবরাহের দৈনিক ঘাটতি ১,৫০০ মেগাওয়াট অতিক্রম করেছে। নসরুল জানান, পাওয়ার সেক্টরের জন্য দেশের মোট ডিজেল সরবরাহের ১০ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে।
এদিকে, প্রতিমন্ত্রী জানান যে, ডাইভার্সিফায়েড জ্বালানি সরবরাহের জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় পরিবহন খাতের অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, দেশের প্রধান গ্যাস সরবরাহের বেশির ভাগ অংশই শিল্প খাতে চলে যাচ্ছে।
রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ চলমান থাকলে তেলের ও গ্যাসের সংকট আরো ঘনীভূত হতে পারে বলে তিনি হুঁশিয়ারি করেন। তবে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ আশ্বাস দিয়েছেন যে, পরিস্থিতির উন্নতি করতে পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।