শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬

নিউগিনি প্রকল্পে হামলার এক মাস পরও গ্রেপ্তার হননি ‘সমন্বয়ক’ যুবরাজ, ১১ জনের মধ্যে জামিনে আটজন

গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে ইসিবি চত্বরের আবাসন প্রকল্প ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় ডিবি আরও নয়জনকে শনাক্ত করেছে।

রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের প্রকল্পে হামলার এক মাস পেরিয়ে গেছে। তবে এ হামলার অন্যতম সমন্বয়ক হিসেবে তদন্তে চিহ্নিত হওয়া মো. যুবরাজকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মিরপুরের ‘দুটি সন্ত্রাসী বাহিনী’র সদস্যদের নিয়ে হামলার সমন্বয় করেন ভাষানটেক থানা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইব্রাহিমের বাহিনীর সদস্য যুবরাজ। ইব্রাহিমের হয়ে মিরপুর এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রমে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এসব দাবি তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের; অভিযুক্ত কেউ দোষী সাব্যস্ত হননি।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলছে, হামলার দিন দুপুরে ইসিবি চত্বরের একটি খাবারের দোকানে বসে ১৩ জন হামলার পরিকল্পনা করেন। সে সময় মামলার এক নম্বর আসামি শাহরিয়ার মাহমুদ মো. ইব্রাহিমের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামলার জন্য এক কোটি টাকার চুক্তি করেন। পরে ইব্রাহিম লোকজন সংগ্রহ করে হামলার দায়িত্ব দেন যুবরাজকে।

সূত্র আরও জানায়, হামলায় জড়িত আরও নয়জনকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পরিকল্পনা ও সরাসরি অংশ নেওয়ার অভিযোগে এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে আটজন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির গুলশান বিভাগের পরিদর্শক জেহাদ হোসেন বলেন, হামলায় শতাধিক ব্যক্তি অংশ নিয়েছিলেন। তাঁদের অনেককে শনাক্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে নিউগিনি প্রপার্টিজের আবাসন প্রকল্পে হামলা চালানো হয়। সে সময় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতেও ভাঙচুর ও লুটপাট হয়। ঘটনার রাতেই হামলার বিবরণ দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন সালমান। এরপর ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।