বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

মাগুরায় জমির বিরোধে বড় ভাইয়ের হাতে কুয়েত প্রবাসী ছোট ভাই খুন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজ যুবকের লাশ মিলল চাচাতো ভাইয়ের বাড়ির পাশের পুকুরে

মাগুরার শালিখায় পৈতৃক জমি নিয়ে বিরোধে লাঠির আঘাতে একজনের মৃত্যু হয়েছে; ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে নিখোঁজের চার দিন পর এক যুবকের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় আটক হয়েছেন তাঁর চাচাতো ভাই।

মাগুরার শালিখায় জমি নিয়ে বিরোধে বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ছোট ভাই নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে নিখোঁজের চার দিন পর এক যুবকের লাশ উদ্ধার হয়েছে; এ ঘটনায় তাঁর চাচাতো ভাইকে আটক করেছে পুলিশ।

শালিখার ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে, উপজেলার তালখড়ি ইউনিয়নের নাঘোসা গ্রামের পশ্চিমপাড়ায়। নিহত মাসুদ গাজী (৪৫) কুয়েত প্রবাসী ছিলেন। লাঠির আঘাতের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে তাঁর বড় ভাই সিদ্দিক গাজীকে (৫০)। তাঁরা ওই গ্রামের মৃত মোসলেম গাজীর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমি ভাগাভাগি নিয়ে মোসলেম গাজীর চার ছেলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার সকালে সিদ্দিক ও মাসুদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে সিদ্দিকের লাঠির আঘাতে ঘটনাস্থলেই মাসুদের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে শালিখা থানার পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে আজিম (৩০) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের লক্ষ্মীমোড়া গ্রামের ‘বড় পুকুর’ নামের স্থানের ঝোপ থেকে লাশটি পাওয়া যায়। মঙ্গলবার জেলা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা জানান, ২৪ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে আজিম এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। ওই দিন ভোরে চাচাতো ভাই রফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে তাঁর সর্বশেষ যোগাযোগ হয়েছিল। এরপর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ মেলেনি। সোমবার রাতে রফিকুলের বাড়ির সামনে দিয়ে যাতায়াতের সময় দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের পুকুরে খোঁজ করেন এবং আজিমের লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে বিজয়নগর থানার পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় লাশ উদ্ধার করে।

বিজয়নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজীব চন্দ্র সরকার জানান, এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো ভাই রফিকুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি প্রাথমিকভাবে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। আদালতে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত দুই ঘটনায় অভিযুক্ত ও আটক ব্যক্তিরা নির্দোষ বলে গণ্য হবেন; শালিখার ঘটনায় অভিযুক্ত বড় ভাইয়ের বক্তব্য ও গ্রেপ্তারের তথ্য এখনো জানা যায়নি।