বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর, ২০২৬

পর্যটন শিল্পের বিকাশে সরকারের সঙ্গে বেসরকারি সমন্বয় জরুরি: মীর হেলাল উদ্দিন

বিশ্ব পর্যটন দিবসে মীর হেলাল উদ্দিন পর্যটন শিল্পের বিকাশে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনে ২১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বিশ্ব পর্যটন দিবসের মতবিনিময় সভায় মীর হেলাল উদ্দিন বক্তব্য রাখেন। তিনি পর্যটন শিল্পের বিকাশে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন। মীর হেলাল উদ্দিন জানান, পর্যটন শিল্পকে সমৃদ্ধ করতে সরকার প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও নীতিগত সহায়তা দেবে, তবে শিল্পের নেতৃত্ব এবং বিপণনের দায়িত্ব নিতে হবে বেসরকারি খাতকে। তিনি বলেন, 'শিল্পের বিকাশে সরকার সহায়তা দিতে পারে, কিন্তু শিল্পের নেতৃত্ব, বিপণন ও ব্র্যান্ডিংয়ে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসতে হবে।' মীর হেলাল উদ্দিন দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও পর্যটন সম্ভাবনার দিকটি তুলে ধরে বলেন, অনেক দেশ তাদের অর্থনীতি পর্যটন শিল্পের উপর নির্ভর করে পরিচালিত করছে। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, মানুষের আতিথেয়তা ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা প্রয়োজন। তিনি এটাও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের ইতিবাচক ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার করা উচিত, যা দেশের ভাবমূর্তি উন্নত করবে। তিনি আরও জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। বিদেশি পর্যটকদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি। এ ছাড়া বিমানবন্দরের সেবার মান উন্নত করার জন্যও সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপ করেন। পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের জন্য শুধু সরকারের ওপর দায়িত্ব ফেলে না দিয়ে বেসরকারি খাতকেও ভূমিকা রাখতে হবে বলে জানান মীর হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, 'যে কোন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যদি সরকারি ব্যবস্থার চেয়ে ভালো সেবা দিতে পারে, তবে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে সেই সুযোগ বিবেচনা করা যেতে পারে।' এ ছাড়া পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে প্রশাসনিক কার্যক্রম যেমন ভূমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া দ্রুততর করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। কক্সবাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকায় পর্যটন পুলিশের সংখ্যা বাড়ানোর কথাও বলেন মীর হেলাল উদ্দিন। এসব পদক্ষেপ পর্যটনের উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।