রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬

খোলাবাজারে ডলারের দাম বেড়ে ১২৮ টাকা ৫০ পয়সা, ব্যাংকেও বাড়ছে দাম

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের পর প্রবাসী যাত্রী চলাচল কমে যাওয়ায় খোলাবাজারে নগদ ডলারের কিছুটা সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যাংক কর্মকর্তারা।

খোলাবাজারে হঠাৎ করে ডলারের দাম বাড়তে শুরু করেছে। পূজার ছুটিসহ নানা কারণে নগদ ডলারের দামের পাশাপাশি ব্যাংকিং চ্যানেলেও ডলারের দর বাড়ছে। এতে আমদানি খরচও বাড়ছে, আর ডলারের দাম বাড়ায় অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রার দামও চড়েছে।

ব্যাংকগুলোর ঘোষিত দর অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো এখন নগদ ডলার বিক্রি করছে ১২৬ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত দামে। গত বৃহস্পতিবার সিটি ব্যাংক বিদেশফেরত যাত্রীদের কাছ থেকে নগদ ডলার কিনেছে ১২৪ টাকা ৭৫ পয়সায়, বিক্রি করেছে ১২৬ টাকায়। একই দিন ব্র্যাক ব্যাংক কিনেছে ১২৫ টাকা ৫০ পয়সায়, বিক্রি করেছে ১২৬ টাকা ৫০ পয়সায়। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক কিনেছে ১২৫ টাকায়, বিক্রি করেছে ১২৬ টাকা ২৫ পয়সায়। অগ্রণী ব্যাংক কিনেছে ১২৩ টাকায়, বিক্রি করেছে ১২৪ টাকায়।

আমদানির জন্য ব্যাংকগুলোর একে অপরের কাছ থেকে কেনা ডলারের দামও বেড়েছে। ১৯ অক্টোবর ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৬০ পয়সা দরে ডলার কিনেছিল। গত বৃহস্পতিবার তা বেড়ে হয়েছে ১২৩ টাকা ৯৯ পয়সা। এই সময়ে প্রতিদিনই ৫ থেকে ২০ পয়সা করে দাম বেড়েছে।

ব্যাংকে ডলারের দাম ১২৬ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে থাকলেও খুচরা বাজারে দাম আরও বেশি। বৃহস্পতিবার মতিঝিলের খোলাবাজার ও মানি চেঞ্জারে ডলার বিক্রি হয়েছে ১২৮ টাকা ৫০ পয়সায়। মানি চেঞ্জারগুলো গ্রাহকের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ১২৮ টাকায় ডলার কিনেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও ব্যাংক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের পর বিদেশ থেকে যাত্রী আসা-যাওয়া উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। এর ফলে খোলাবাজারে ডলারের কিছুটা সংকট দেখা দিয়েছে। ১০ দিন আগেও খোলাবাজারে প্রতি ডলারের দাম ছিল ১২৭ থেকে ১২৭ টাকা ৫০ পয়সা। অর্থাৎ ১০ দিনের ব্যবধানে খোলাবাজারে প্রতি ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১ টাকা বেড়েছে। ব্যাংকেও একই সময়ে সর্বোচ্চ ১ টাকা দাম বেড়েছে।