মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে প্রভাব খাটিয়ে মার্কেটের ১৫ দোকান দখলের অভিযোগ

মার্কেটমালিকের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আসাদুর জামান সনেট ৩০টি দোকানের মধ্যে ১৫টির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন; অভিযুক্ত ব্যক্তি অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেকে ভাড়াটিয়া বলেছেন।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে একটি মার্কেটের ৩০টি দোকানের মধ্যে ১৫টি দখল করে ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে আসাদুর জামান সনেটের বিরুদ্ধে। মার্কেটের মালিক আছাদুজ্জামান মিন্টুর অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দোকানগুলো দখল করা হয়েছে এবং চাঁদা না পেয়ে মার্কেটের নামও পরিবর্তন করেছেন সনেট। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে স্থানীয়ভাবে বিএনপির নেতা হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

মিন্টু জানান, ২০১১ সালে বারবাজার রেললাইনের পাশে পৈতৃক জমি ও রেলওয়ের কাছ থেকে বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য নেওয়া জমিতে তিনি ‘মৃধা শাহাজাহান প্লাজা’ নির্মাণ করেন। ২০১৮ সালে সনেট মার্কেটের একটি দোকান ভাড়া নেন এবং ২০২৩ সালের ১ জুন পাঁচ বছর মেয়াদি চুক্তি নবায়ন হয়। মিন্টুর অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে সনেট ১৫টি দোকানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ভাড়া আদায় শুরু করেন এবং পরে মার্কেটের নাম বদলে ‘আছাদুজ্জামান প্লাজা’ রাখেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর তিনি ঝিনাইদহ আদালতে মামলা করেন। তাঁর দাবি, আদালত ১৪৪ ধারা জারির নির্দেশ দিয়েছেন।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, ২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট সনেট ২৩ হাজার ৭৬০ টাকা জমা দিয়ে ৬০০ বর্গফুট জমির বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য ডিসিআর নেন। ১০ সেপ্টেম্বর পাকশীর বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা ওই বরাদ্দ বাতিল করেন। নোটিশে জমিতে সনেটের দখল বা স্থাপনা না থাকা এবং ভুল তথ্য দিয়ে কাগজ সংগ্রহের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অস্বীকার করে সনেট বলেন, তিনি মার্কেটের ভাড়াটিয়া এবং বরাদ্দ বাতিলের আনুষ্ঠানিক নোটিশ পাননি। সেপ্টেম্বর মাসে ১৩টি দোকানের ভাড়া তোলার কথা স্বীকার করলেও দোকানগুলো পৈতৃক জমিতে নয় বলে দাবি করেন তিনি।