রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় তিন ফসলি কৃষিজমিতে পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম পদ্মাটাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফসলি জমি রক্ষায় হাইকোর্টের আদেশ এবং নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশনা থাকার পরও খনন অব্যাহত রয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাহেরপুর পৌরসভার নুরপুর মৌজায় কামারের ঘাট সেতুর পাশে মমিন কমিশনারের বাড়ির কাছে প্রায় ২০ থেকে ২৫ বিঘা আবাদি জমিতে দিন-রাত এক্সকাভেটর দিয়ে মাটি কেটে পুকুর খনন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, নুরপুরের মজনু, হান্নান ও ওহাবের নেতৃত্বে খননকাজ চলছে এবং কাটা মাটি বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি হচ্ছে। অভিযোগ সম্পর্কে অভিযুক্তদের বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাটি পরিবহনের ফলে সরকারি অর্থে তৈরি রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ছাড়া আশপাশের কৃষিজমির সেচব্যবস্থা ও উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। তাঁরা মনে করেন, এতে পরিবেশের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
প্রতিবেদনে ২০১৭ সালের ৩ এপ্রিলের হাইকোর্ট বিভাগের একটি আদেশের কথা বলা হয়েছে, যা বাগমারায় কৃষিজমিতে অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে জনস্বার্থে দায়ের করা রিট পিটিশন নম্বর ৪৩৫৩/২০১৭-এর পরিপ্রেক্ষিতে দেওয়া। সংশ্লিষ্ট পক্ষের দাবি, ওই আদেশে অবৈধ খনন বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ও নিয়মিত মোবাইল কোর্ট চালানোর নির্দেশনা ছিল এবং আদেশটি এখনো বলবৎ আছে। আদেশের এ বিবরণ আমরা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারিনি।
অভিযোগকারীরা রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও বাগমারার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে হোয়াটসঅ্যাপ ও ই-মেইলে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁরা অবিলম্বে খনন বন্ধ, ঘটনাস্থল তদন্ত, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। প্রতিবেদনটি পদ্মাটাইমসের একক সূত্রনির্ভর; প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে হালনাগাদ করা হবে।