তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনে সোমবার ভাষণ দেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তিনি বলেন, এসসিওভুক্ত দেশগুলো বর্তমানে জটিল নিরাপত্তা ও উন্নয়ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এই পরিস্থিতিতে ‘সাংহাই স্পিরিট’ মেনে এগিয়ে গেলে বহুপাক্ষিক সহযোগিতার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব।
শি জিনপিং ঘোষণা দেন, চীন এ বছর সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে ২ বিলিয়ন ইউয়ান (প্রায় ২৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) সহায়তা দেবে। পাশাপাশি এসসিও ব্যাংক কনসোর্টিয়ামের জন্য আরও ১০ বিলিয়ন ইউয়ান (১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) ঋণ প্রদান করবে।
তিনি বলেন, “আমাদের বৃহৎ বাজার ব্যবহারের মাধ্যমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে আরও সহজতর করতে হবে।”
দুই দিনের এ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান এবং বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোসহ বিশ্বের ২০টিরও বেশি দেশের শীর্ষ নেতা।
২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত এসসিও শুরুতে ছয়টি দেশ (চীন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান) নিয়ে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে সংস্থাটির ১০ স্থায়ী সদস্য এবং ১৬টি পর্যবেক্ষক ও সংলাপ সহযোগী দেশ রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক শৃঙ্খলার বিকল্প হিসেবে এসসিও-কে সামনে আনতে চাইছে বেইজিং। পাশাপাশি ভারত-চীন সম্পর্কের টানাপোড়েন নিরসনেরও চেষ্টা চলছে এই মঞ্চের মাধ্যমে।