চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী যৌন নিপীড়ন, সিসিটিভি দেখে দুই জন শনাক্ত
নিপীড়নের ঘটনায় দুই জনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থী যৌন নিপীড়নের শিকার হওয়ার পর তদন্তে একাধিক ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে তারা দুই জনকে চিহ্নিত করেছে। ভুক্তভোগী ছাত্রী ও তার বন্ধু ছবি দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করেছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর শাহিদুল ইসলাম বলেন, 'আমরা দুজনকে শনাক্ত করেছি। তাদের ছবির মিল রয়েছে ভুক্তভোগী ও তার বন্ধুর বর্ণনার সঙ্গে।'
তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। প্রাধান্য দিয়ে রুহুল আমিন বলেন, 'তদন্তের স্বার্থে শনাক্তকৃতদের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করা যাচ্ছে না।' তবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের উপ-গ্রুপ 'সিএফসি'র অনুসারী আজিম হোসেনের নাম সংশ্লিষ্টতায় আসার পর রেজাউল হক রুবেল পাঁচ জনকে চিহ্নিত করার দাবি করেছেন। রেজাউল হক রুবেল বলেন, 'আজিম হোসেনের মাধ্যমে পাঁচজনের নাম পেয়েছি, যাদের মধ্যে এক জন আজিম নিজেই।'
সহকারী প্রক্টর শাহিদুল ইসলামের বক্তব্যে বলা হয়, রেজাউল হক রুবেল তদন্ত কমিটির অংশ নন। তাই তার করা দাবিগুলি গ্রহণযোগ্য নয়। শাহিদুল ইসলাম জোর দিয়ে বলেছেন, 'তিনি (রুবেল) তদন্ত দলের অংশ নন এবং এ রকম দাবি করতে পারেন না।'
নিপীড়নের তদন্তে রেজাউল হকে রুবেলের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন সহকারী প্রক্টর। তবুও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছাত্রীর বন্ধুর সাক্ষরতা ও সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের শনাক্তের প্রক্রিয়া চালিয়েছে।
ভুক্তভোগীর এক বন্ধু সিসিটিভি ফুটেজ দেখে নিশ্চিত করেছেন যে আজিম হোসেন এই অপরাধের সাথে জড়িত। দুই অভিযুক্তকে ধরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখন পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণের পথে রয়েছে। তদন্ত চলতে থাকায় নিপীড়নের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।