জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় দিনে রাজশাহীতে ডাবল সেঞ্চুরি করে রেকর্ড গড়েছেন ঢাকা বিভাগের ব্যাটসম্যান তাইবুর রহমান। ১২৮ রান নিয়ে দিন শুরু করা তাইবুর ২১১ রান করে ফিরেছেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি তাঁর তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরি; বাংলাদেশের নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি করলেন, যা দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে রেকর্ড।
তাঁর দল ৯ উইকেটে ৫১৩ রানে ইনিংস ঘোষণা করে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে খুলনা দিন শেষ করেছে ২ উইকেটে ১৩২ রান তুলে।
চট্টগ্রামে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেকেই সেঞ্চুরি পেয়েছেন চট্টগ্রামের ইরফান সাবরি তাকরির। ২১২ বলে ১০৪ রান করা এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান বাংলাদেশের চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে অভিষেকে সেঞ্চুরি করলেন; তাঁর আগে এ কীর্তি ছিল আসিফ আহমেদ, আফিফ হোসেন ও অমিত হাসানের। চলমান সেকেন্ড ইলেভেন জাতীয় লিগে ৬০২ রান করে তিনি মূল দলে জায়গা করে নিয়েছিলেন। চট্টগ্রাম দিন শেষ করেছে ৫ উইকেটে ৩০৪ রানে।
বগুড়ায় সিলেটের বিপক্ষে রাজশাহীর উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান প্রিতম কুমার ১১৪ বলে ১০৫ রান করেছেন, মেরেছেন ৯টি চার ও ৫টি ছক্কা। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি তাঁর ষষ্ঠ সেঞ্চুরি। ১৪১ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর নবম উইকেটে ৫১ রানের জুটি গড়েছিলেন তিনি। রাজশাহীর প্রথম ইনিংস থামে ১৯২ রানে। সিলেট দ্বিতীয় ইনিংসে বিনা উইকেটে ৬৩ রান তুলে ২০৮ রানে এগিয়ে আছে। সিলেটের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৩৩৬ রানে। বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ ৫ উইকেট পেয়েছেন; ৪৪ ম্যাচের ক্যারিয়ারে এটি তাঁর ১৪তম ৫ উইকেট, যার তিনটিই এবারের লিগে।
চট্টগ্রামে ময়মনসিংহের পেসার আবু হায়দার বরিশালের বিপক্ষে নিজের সপ্তম ৫ উইকেট পেয়েছেন, চার বছর পর প্রথম শ্রেণিতে। ময়মনসিংহের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৩৮৬ রানে, মোসাব্বেক হোসেন অপরাজিত থাকেন ৬৯ রানে। জবাবে বরিশাল দিন শেষ করেছে ৮ উইকেটে ১৩৬ রানে; এর মধ্যে ৮০ রানই ফজলে রাব্বির।