টানা আট দিনের ছুটি শেষে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু হলেও সার্ভার জটিলতায় প্রথম দিনেই বাণিজ্য ব্যাহত হয়েছে। শনিবার সীমিত পরিসরে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কিছু পচনশীল পণ্য খালাস করা হলেও রোববার দুপুর পর্যন্ত অনলাইনে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করা যায়নি।
দুপুর ১২টার পর সার্ভার সচল হলে বাণিজ্যে গতি ফেরে। বেলা ৩টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় ভারত থেকে ৭৬টি ট্রাকে পণ্য আমদানি এবং বাংলাদেশ থেকে ৪১টি ট্রাকে পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর আগে শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ১৭ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে নিয়মিত আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সার্ভার জটিলতার পাশাপাশি ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুপস্থিতির কারণে বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানিও বেশ বিলম্বিত হয়।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামছুর রহমান ও স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি জানান, দীর্ঘ ছুটির কারণে সীমান্তের দুই পাশে তীব্র পণ্যজট তৈরি হয়েছিল। দুপুরের পর অনলাইনে কাজ শুরু হলে কাস্টমস কর্মকর্তা ও প্রায় ২ হাজার হ্যান্ডলিং শ্রমিক পণ্য খালাসে ব্যস্ত সময় পার করেন। তবে বারবার সার্ভার ডাউন হওয়ায় আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমিন এবং কাস্টম হাউসের কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা রোমেন মিত্র জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ছুটি শেষে বাণিজ্য চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। সার্ভার জটিলতার কারণে শুরুতে সমস্যা হলেও পরে তা সচল হয়েছে এবং পণ্য খালাসে ব্যবসায়ীদের সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।