শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠাতে খরচ কমপক্ষে আট লাখ টাকা হতে পারে, আশঙ্কা অভিবাসন ব্যবসায়ীদের; মেডিক্যাল সেন্টারের তালিকা এখনো প্রকাশ হয়নি

৩১ অক্টোবর থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার কথা থাকলেও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে চূড়ান্ত মেডিক্যাল সেন্টারের তালিকা দেওয়া হয়নি।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আগেই দিয়েছে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এবার জানানো হয়েছে, ৩১ অক্টোবর থেকে কোন কোন মেডিক্যাল সেন্টার মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে পারবে। কিন্তু বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে চূড়ান্ত মেডিক্যাল সেন্টারের সেই তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর অভিবাসনব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে মন্ত্রণালয় নানাভাবে চেষ্টা করলেও তা কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়ে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ায় থাকা ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রশ্ন ও জল্পনা শুরু হয়েছে। অভিবাসন ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের ধারণা, অতীতের চেয়েও এবার একজন কর্মীর সব প্রক্রিয়া শেষ করে পাঠাতে কমপক্ষে আট লাখ টাকার মতো খরচ পড়বে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই অঙ্ক আরও বাড়তে পারে।

তাঁদের হিসাব অনুযায়ী, চাহিদাপত্র (ভিসা) ও সিন্ডিকেট খরচসহ মালয়েশিয়াতেই একজন কর্মীর জন্য পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা ব্যয় হবে। ঢাকার অংশে বিমান টিকিট, কর্মীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) খরচ মিলিয়ে লাগবে আরও দেড় লাখ টাকা। অর্থাৎ শুধু প্রক্রিয়াকরণেই সাড়ে ছয় লাখ থেকে সাত লাখ টাকা চলে যাবে।

এর সঙ্গে যুক্ত হবে বিদেশগামী কর্মী ব্যবস্থাপনা তথ্যভান্ডার ব্যবস্থার (এফডব্লিউসিএমএস) আওতায় মনোনীত ঢাকার ২৫টি এজেন্সির সার্ভিস চার্জ এবং দালালদের খরচ। সব মিলিয়ে কর্মীপ্রতি খরচ আট লাখ টাকার মতো হবে বলে ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার ঘোষণার পর থেকে সম্ভাব্য কর্মীদের মধ্যে আগ্রহ বাড়লেও খরচ ও প্রক্রিয়ার অস্পষ্টতা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মেডিক্যাল সেন্টারের চূড়ান্ত তালিকা কবে প্রকাশ হবে, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আর কিছু জানা যায়নি।