বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

পাঠ্যবই মুদ্রণের পুনঃদরপত্রে প্রতিযোগিতা বাড়ায় সাশ্রয় প্রায় ১৪ কোটি টাকা

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বিনা মূল্যের বই ছাপার পুনঃদরপত্রে ৩৪ লটে প্রাক্কলিত ব্যয়ের চেয়ে দর কমেছে প্রায় ১৪ শতাংশ।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বিনা মূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর পুনঃদরপত্রে ঠিকাদারদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়ায় সরকারের প্রায় ১৪ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। মূল দরপত্রে প্রতিযোগিতার ঘাটতি ছিল বলে অভিযোগ আছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) হিসাব অনুযায়ী, পুনঃদরপত্রের ৩৪টি লটে বই ছাপানোর প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ৬৭ কোটি ৩ লাখ টাকা। প্রতিযোগিতা বাড়ায় ঠিকাদারদের প্রস্তাবিত দর দাঁড়িয়েছে ৫৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রাক্কলিত ব্যয়ের তুলনায় দর কমেছে প্রায় ১৪ শতাংশ বা ৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। নতুন চার বইয়ের ২৩ লটে দর কমেছে আরও সাড়ে ৮ শতাংশ। সব মিলিয়ে সরকারের সাশ্রয় হয়েছে প্রায় ১৪ কোটি টাকা।

এনসিটিবির কর্মকর্তারা বলছেন, মূল দরপত্রেও এমন প্রতিযোগিতা থাকলে সরকারের আরও অনেক টাকা সাশ্রয় হতো। পুনঃদরপত্রে ব্যয় কমার একই হার মূল দরপত্রের মোট মূল্যের সঙ্গে তুলনা করে দেখা গেছে, শুধু মাধ্যমিক স্তরের বই ছাপানোর কাজেই প্রায় ২৫৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা সাশ্রয় হতে পারত।

আগামী শিক্ষাবর্ষের প্রাক্‌-প্রাথমিক থেকে নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৩১ কোটি পাঠ্যবই ছাপার কাজ চলছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক স্তরের বই ২২ কোটির বেশি, বাকিগুলো প্রাথমিক স্তরের। সব মিলিয়ে বই ছাপানোর সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। সরকারের লক্ষ্য, বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়া।

প্রতিবছর পাঠ্যবই ছাপানোর দরপত্রে কিছু লট বাতিল হয়; কোনো প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় যোগ্যতা পূরণ করতে পারে না, আবার কেউ প্রয়োজনীয় নথি জমা দেয় না বলে এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে।