নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কমিশনের মাসিক সমন্বয় সভায় এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় এনআইডি সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয় এবং কর্মকর্তারা এর সুবিধা ও অসুবিধার দিকগুলো তুলে ধরেন। আলোচনার একপর্যায়ে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমদ গুরুতর ভুল সংশোধনের আবেদনগুলোতে অযথা তদন্ত ও হয়রানির বিষয়টি বন্ধের আহ্বান জানান।
ইসির একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা পর্যায়ে তদন্তে পাঠানোর নামে নানা মহল সুবিধা নিচ্ছে। কখনও আবেদনকারী নিজেই অনুরোধ করছেন, আবার কখনও স্টাফ বা বাইরের দালালচক্র জড়িয়ে পড়ছে। এভাবে আবেদন তদন্তে পাঠানোর সুযোগে কিছু সুবিধাভোগী আবেদনকারীকে জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন।
নতুন প্রক্রিয়ায়, প্রতিটি এনআইডি সংশোধনের আবেদনকে আলাদা ক্যাটাগরিতে (‘ক’ থেকে ‘ঘ’) ভাগ করা হবে। এরপর নির্ধারণ করা হবে কোন আবেদন সরাসরি সংশোধনযোগ্য, কোনটি আংশিক তদন্তসাপেক্ষ, আর কোনটি একেবারেই সংশোধনযোগ্য নয়। এতে করে দ্রুত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে আবেদন নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।
জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক হুমায়ুন কবীর বলেন, “বর্তমানে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে নাগরিকদের একাধিক জন্মসনদ। এতে আমরা সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যায় পড়ি, আর নাগরিকরাও ভোগান্তিতে পড়েন। এখন থেকে যদি কারও একাধিক জন্মসনদ অনলাইনে পাওয়া যায়, সেগুলো লিপিবদ্ধ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। এরপর কর্তৃপক্ষের চিঠির উত্তর পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অন্যদিকে:
নির্বাচন কমিশন আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের জন্য ভোটকেন্দ্রের সম্ভাব্য খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছে। এ বছর সারাদেশে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ধরা হয়েছে ৪২ হাজার ৬১৮টি।