শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬

‘২৯ অক্টোবর এইচএসসির ফল’ বিজ্ঞপ্তিটি ভুয়া, জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানিয়েছে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি; বোর্ডগুলো ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রস্তাব করেছে।

আগামী ২৯ অক্টোবর সকাল ১০টায় উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন একটি বিজ্ঞপ্তিকে ভুয়া বলেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি। বৃহস্পতিবার কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে ইত্তেফাক জানিয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে প্রচারিত বিজ্ঞপ্তিটিকে ‘সম্পূর্ণ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলা হয়েছে। ফল প্রকাশের তারিখ ও সময় উল্লেখ করে ছড়ানো ওই বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে শিক্ষা বোর্ডগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছে কমিটি। পরীক্ষা ও ফলসংক্রান্ত সব সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেই প্রকাশ করা হয়।

যাচাই না করে সামাজিক মাধ্যমের কোনো তথ্য বিশ্বাস বা শেয়ার না করতে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সাধারণ মানুষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে কমিটি। গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

ফল কবে, যা বলছে বোর্ড

এদিকে বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউন বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রস্তাব করেছে। কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান প্রস্তাবের কথা পত্রিকা দুটিকে নিশ্চিত করেছেন। ঢাকা বোর্ডের একটি সূত্রের বরাতে দুই পত্রিকা লিখেছে, সাধারণত বৃহস্পতিবার ফল দেওয়া হয়, আর ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার হওয়ায় সেদিন ফল প্রকাশের সম্ভাবনা আছে। তবে চূড়ান্ত তারিখ এখনো ঘোষণা হয়নি।

বাংলা ট্রিবিউন আরও জানিয়েছে, এবার অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের পরের বছর পর্যন্ত অপেক্ষা না করিয়ে অকৃতকার্য বিষয়ে আবার পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দুই বিষয়ে অনুত্তীর্ণদের ক্ষেত্রে দুই মাসের মধ্যে এবং তিন বা তার বেশি বিষয়ে অনুত্তীর্ণদের ক্ষেত্রে তিন মাসের মধ্যে প্রক্রিয়া শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে; কতটি বিষয় পর্যন্ত এ সুযোগ থাকবে, তা ঠিক করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ বছর ২ জুলাই নয়টি সাধারণ বোর্ড এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা শুরু হয়, লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৮ আগস্ট। ১১টি বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন।