বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের গডফাদার চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ পুলিশ সদর দপ্তরের

সেপ্টেম্বর মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় অতিরিক্ত আইজি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ডাকাতি ও ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্ত এবং সাজার হার বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত গডফাদারদের চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. সায়েদুর রহমান এ নির্দেশনা দেন।

সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের অপরাধ পরিস্থিতি নিয়ে এ সভায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপাররা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন। পুলিশ সদর দপ্তরে উপস্থিত ছিলেন ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সায়েদুর রহমান বলেন, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। তিনি সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে পুলিশের ভাবমূর্তি বাড়ানোর আহ্বান জানান। ডাকাতি মামলা দ্রুত রেকর্ড করা এবং ঘটনা দ্রুত উদ্ঘাটন করে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার নির্দেশও দেন তিনি।

অতিরিক্ত আইজি বলেন, ধর্ষণ মামলার তদন্ত নিবিড়ভাবে তদারক করতে হবে, যাতে বিচারে সাজার হার বাড়ে। একই সঙ্গে সার্বিকভাবে অন্যান্য মামলা নিষ্পত্তির হার বাড়ানোর ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। সমাজে ইতিবাচক ইমেজধারী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং চালানোর কথাও বলেন তিনি।

সম্প্রতি সমাপ্ত দুর্গাপূজা নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে উদ্যাপিত হওয়ায় আইজিপির পক্ষে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান অতিরিক্ত আইজি। সভায় ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, ধর্ষণ, পুলিশ আক্রান্ত ও অপহরণ মামলা এবং মুলতবি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, তদন্ত ও বিচারের ফলাফল, সাজার হারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।