শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬

কঙ্গোয় এবোলা আরও এক প্রদেশে ছড়াল, সংক্রমিত এলাকায় ৩৫ লাখ মানুষ খাদ্যসংকটে: ডব্লিউএফপি

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জানিয়েছে, কঙ্গোর এবোলা এখন অষ্টম প্রদেশে পৌঁছেছে; ক্ষুধার কারণে রোগীদের চিকিৎসা ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।

গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোয় এবোলা সংক্রমণ আরও একটি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে, এটি দেশটির অষ্টম প্রদেশ। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) শুক্রবার সতর্ক করে বলেছে, ক্ষুধার কারণে রোগীরা চিকিৎসা মাঝপথে ছেড়ে দিতে বাধ্য হতে পারেন। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য এসেছে।

জেনেভায় সাংবাদিকদের কাছে ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর ডেভিড স্টিভেনসন বলেন, প্রাদুর্ভাবে আক্রান্ত এলাকাগুলোর প্রায় ৩৫ লাখ মানুষ সংকটাপন্ন মাত্রার খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার মুখে। নিরাপত্তাহীনতা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবহন পথ ও খারাপ আবহাওয়ায় ত্রাণ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, আইসোলেশনে থাকতে হলে খাদ্যসহায়তা পরিবারগুলোকে সেই নিয়ম মানতে সহায়তা করে।

সংস্থাটির হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, প্রাদুর্ভাবে সরাসরি আক্রান্তদের ৯৭ শতাংশেরই এখনো খাদ্যসহায়তা দরকার, কারণ সংক্রমণে জীবিকা ও বাজারে প্রবেশাধিকার ব্যাহত হচ্ছে; এসব এলাকা আগে থেকেই সংঘাত ও বাস্তুচ্যুতির চাপে ছিল। কর্মসূচি চালিয়ে যেতে ডব্লিউএফপির আগামী ছয় মাসে ২১ কোটি ৪০ লাখ ডলার লাগবে, যার ৭ কোটি ৮৬ লাখ ডলার রোগী ও তাঁদের পরিবারের খাদ্য বাবদ।

ডব্লিউএফপি জানায়, এ পর্যন্ত ৫৯টি চিকিৎসা ও আইসোলেশন কেন্দ্রে ৭ লাখ ৪৪ হাজারের বেশি গরম খাবার দেওয়া হয়েছে এবং রোগীদের পরিবারগুলোর মধ্যে ৩ হাজার মেট্রিক টনের বেশি খাদ্য বিতরণ হয়েছে। সংস্থার মানবিক বিমানসেবা ১০ হাজারের বেশি উদ্ধারকর্মী ও ৪৮৩ মেট্রিক টন মালামাল পরিবহন করেছে। মুসিয়েনেনে একটি এবোলা চিকিৎসা কেন্দ্র সম্পন্ন হয়েছে, বুনিয়ায় আরেকটি নির্মাণাধীন। এ বিষয়ে অন্য কোনো স্বাধীন সূত্রের তথ্য আমরা যাচাই করতে পারিনি।