আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে ১০টি নিত্যপণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ঋণপত্র (এলসি) খোলার মার্জিন সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। স্থানীয় বাজারে এসব পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখাই এ নির্দেশনার উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়েছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ–সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে। সার্কুলারে বলা হয়, ব্যাংকার–গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে এসব পণ্য আমদানির এলসি খোলার ক্ষেত্রে নগদ মার্জিনের হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখতে হবে। নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
এই সুবিধার আওতায় চাল, গম (আটা), পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল (সয়াবিন ও পাম অয়েল), চিনি, ছোলা, মটর, মসলা ও খেজুর আমদানি করা যাবে। রমজানে এসব পণ্যের চাহিদা বাড়ে—এ বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আমদানি সহজ করার মাধ্যমে দাম সহনীয় রাখতে এবং প্রয়োজনীয় সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করতে এসব পণ্যের এলসি খোলায় অগ্রাধিকার দিতে হবে।
এর আগে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জারি করা এক নির্দেশনায় নির্দিষ্ট কিছু পণ্য আমদানির এলসি খোলার ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিন সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর জারি করা আরেক নির্দেশনায় রমজানের চাহিদা বিবেচনায় কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে নগদ মার্জিনের হার সর্বনিম্ন রাখতে বলা হয়। ওই নির্দেশনার কার্যকারিতা ছিল ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত।