বুধবার, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এলডিসি উত্তরণ প্রক্রিয়া নিয়ে জাতিসংঘে গুরুত্বারোপ

এলডিসি উত্তরণ হতে হবে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল, জাতিসংঘে বলা হয়েছে।

ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এলডিসি উত্তরণ প্রক্রিয়া নিয়ে জাতিসংঘে গুরুত্বারোপ
ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি এলডিসি উত্তরণকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল হওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁর মতে, এ উত্তরণ কোনো দেশের উন্নয়ন যাত্রাকে বাধাগ্রস্ত না করে বরং আরও শক্তিশালী করতে হবে। ড. তিতুমীর 'এলডিসি-জিআইএফ মেকানিজম ইন্ট্রোডাকশন অ্যান্ড হাই-লেভেল ডায়ালগ' এ অংশ নেন এবং বলেন যে, উত্তরণের পথে থাকা দেশগুলো কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা এবং উৎপাদন সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা মোকাবিলা করছে। এছাড়াও ভূরাজনৈতিক সংঘাত ও মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। তিনি শিল্পায়ন, জ্বালানি রূপান্তর এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে একটি টেকসই ও অপরিবর্তনীয় উত্তরণ নিশ্চিত করতে আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। তার মতে, এ ধরনের সহায়তা বিশেষ করে এলডিসিদের জন্য জরুরি। ড. তিতুমীর এলডিসি গ্রিন ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন ফ্যাসিলিটেশন (এলডিসি-জিআইএফ) উদ্যোগ সম্পর্কে তাঁর আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি ধারণা প্রকাশ করেন যে, এই উদ্যোগ প্রযুক্তি হস্তান্তর ও উন্নত উৎপাদন সক্ষমতা নিশ্চিত করবে। তথ্য অনুযায়ী, এলডিসি-জিআইএফ উত্তরণের পথে কাঠামোগত রূপান্তর এবং টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ড. তিতুমীর আশা করেন, এই প্রক্রিয়াটি উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য উপকারী হবে।