ঢাকায় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
জুলাই বিপ্লবের পর বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন।
সেপ্টেম্বর ২০২৩ থেকে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা সহ বিভিন্ন অঞ্চলে আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের পর থেকে এই সংঘঠনগুলোকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সময়ে শেখ হাসিনা দিল্লিতে আশ্রয় নিয়ে আগুন সন্ত্রাস এবং হত্যাকাণ্ডের নির্দেশনা দিচ্ছেন, যা দেশের সন্ত্রাসের মাত্রা বৃদ্ধি করছে।
জানা গেছে, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ সংঠনগুলি নৈরাজ্য সৃষ্টিতে লিপ্ত হয়েছে। প্রকাশ্যে এমন ঘটনা ঘটছে যেখানে এসব সংঘঠন আগুন সন্ত্রাস এবং বোমা হামলার সাথে জড়িত। ঢাকার যাত্রাবাড়ী মোড় এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ এবং পল্লবীতে বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় পুলিশের উপরও আক্রমণ হয়েছে। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং নেতাদের মাঝে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে যে, দেশের সন্ত্রাস এবং বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে একত্রিত হওয়া প্রয়োজন। জাতীয় ঐকমত্যের মাধ্যমে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। তাদের মতে, শান্তিপূর্ণ এবং স্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি।
ডিবি পুলিশ এরই মধ্যে রায়হান উদ্দিনসহ বেশ কয়েকজনকে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অপরাধে গ্রেফতার করেছে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার গোপালচরণ এলাকায় তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল, যেখানে পুলিশ তদন্তে নেমেছে। এছাড়াও জানা গেছে যে, এসব সাম্প্রতিক ঘটনায় আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করা হচ্ছে।
জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ উল্লেখ করেন যে, আওয়ামী লীগের নিজস্ব কোনো রাজনীতি ছিল না, বরং তারা সন্ত্রাসের উপর ভর করে টিকে থাকতে চাইছে। তিনি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এবং দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতির জন্য আওয়ামী লীগের দায়িত্বহীন রাজনীতিকেই দায়ী করা হচ্ছে।