শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬

সুন্দরবনে দুই ঘটনায় ১০ জেলেকে অপহরণের অভিযোগ, পালিয়ে আসা জেলের বর্ণনায় দস্যু দলের বন্দুকযুদ্ধ

বুধবার ও বৃহস্পতিবার রাতে পশ্চিম বন বিভাগের দুই এলাকা থেকে পাঁচজন করে জেলেকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।

সুন্দরবনে পৃথক দুটি ঘটনায় পাঁচজন করে মোট ১০ জেলেকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে সুন্দরবনের পশ্চিম বন বিভাগের খুলনা রেঞ্জের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের আওতাধীন বুড়ির দুনি এলাকা থেকে পাঁচ জেলেকে এবং বুধবার রাতে বানিয়াখালী স্টেশনের আওতাধীন এলাকা থেকে আরও পাঁচ জেলেকে দস্যুরা অপহরণ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন জেলেদের স্বজন ও স্থানীয়রা।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে বুড়ির দুনি এলাকায় মাছ ধরার সময় বাম্বা বাহিনীর সদস্যরা ইছাক আলী, মইন আলী, জলিল, নুর ইসলাম ও আবু নামে পাঁচ জেলেকে জিম্মি করে নিয়ে যায়। অপহৃত জেলেরা কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ও কয়রা সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

অন্যদিকে দস্যুদের কাছ থেকে পালিয়ে আসা জেলে মোস্তফা মোড়লের বর্ণনা অনুযায়ী, বুধবার রাত ৮টার দিকে সালাম বাহিনীর সদস্যরা তাঁকে ও আরও চার জেলেকে জোর করে সুন্দরবনের ভেতরে নিয়ে যায়। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে সুন্দরবনের ফুলতলা খালে সালাম বাহিনী ও মিঠু বাহিনীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়।

মোস্তফা মোড়ল জানান, গোলাগুলির সুযোগে তিনি কৌশলে দস্যুদের কবল থেকে পালিয়ে লোকালয়ে ফিরে আসেন। তাঁর সঙ্গে ওসমান মোড়ল নামে আরেকজন জেলেও পালাতে সক্ষম হন। তবে অপর তিন জেলের এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাঁদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা নিয়ে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।