বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

রূপগঞ্জ ইউএনও কার্যালয়ে জাল সনদে চাকরির অভিযোগ, ছাড়পত্র যাচাইয়ে ‘ভুয়া’ বলে চিহ্নিত; অভিযুক্তের অস্বীকার

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ইউএনও কার্যালয়ের এক অফিস সহায়কের বিরুদ্ধে ভুয়া বিদ্যালয় ছাড়পত্র দিয়ে স্থায়ী নিয়োগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ ও বিদ্যালয় ছাড়পত্র ব্যবহার করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে। কিশোরগঞ্জের একটি উচ্চবিদ্যালয়ের নাম ও প্যাড ব্যবহার করে তৈরি একটি ছাড়পত্র যাচাইয়ে ভুয়া বলে চিহ্নিত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রিপন মিয়া ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত রূপগঞ্জ ইউএনও কার্যালয়ে মাস্টাররোলে পিয়ন হিসেবে কাজ করতেন। ২০১৫ সালে অফিস সহায়ক পদে স্থায়ী নিয়োগের সময় তিনি জাল কাগজপত্র জমা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ উচ্চবিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে তৈরি ছাড়পত্রে তাঁকে ২০০৯ সালের নবম শ্রেণির নিয়মিত শিক্ষার্থী দেখানো হয়েছে। তাতে তাঁর জন্মতারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৫ উল্লেখ আছে। নথি অনুযায়ী, ছাড়পত্রটির সত্যতা যাচাই করা হয় ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট এবং যাচাইয়ের পর সেটিকে সম্পূর্ণ ভুয়া বলে উল্লেখ করা হয়। তবে ওই ছাড়পত্রের ভিত্তিতেই চাকরি নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়োগসংক্রান্ত নথি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

অভিযোগ অস্বীকার করে রিপন মিয়া বলেন, তিনি সঠিক কাগজপত্র দিয়েই অফিস সহায়ক পদে চাকরি নিয়েছেন। একটি মহল তাঁর চাকরি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেন তিনি।

রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আব্দুল্লাহ বিন শফিক বলেন, জাল সনদ দাখিলের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে। প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী বলা যাবে না।