বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর, ২০২৬

ফার্মগেটে বিএআরসি ক্যাম্পাসে মান নিয়ন্ত্রিত বীজের ব্যবহার বৃদ্ধির প্রস্তাবনা

মানসম্মত ও পরীক্ষিত বীজ উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও ঝুঁকি হ্রাসে সহায়ক।

বাংলাদেশের কৃষি খাতে বছরে ১৩ লাখ মেট্রিক টন বীজের চাহিদা থাকলেও মান নিয়ন্ত্রিত বীজের পরিমাণ মাত্র ৩০ শতাংশ। এই তথ্য উঠে এসেছে ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) ক্যাম্পাসের একটি কর্মশালায়। কর্মশালায় কৃষি বিশেষজ্ঞরা মানসম্মত ও পরীক্ষিত বীজ ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন। প্রধান আলোচক হিসেবে খোরশেদ আলম বলেন, বাংলাদেশে ফরমাল সিড ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হওয়া জরুরি। তিনি বলেন, মানসম্পন্ন ও পরীক্ষিত বীজ ব্যবহারে কৃষির বিভিন্ন ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। বীজের অঙ্কুরোদ্গম ক্ষমতা ও স্বাস্থ্যের প্রসঙ্গে আলম জানান, সঠিক গুণগত মানের বীজ কৃষকদের কাছে পৌঁছানো না গেলে জাতের অবক্ষয় ঘটছে। বৈদেশিক মুদ্রা ও জাহাজীকরণের কারণে বীজ আমদানিতে অনিশ্চয়তার কথা বলা হচ্ছে। খোরশেদ আলম এ বিষয়ে উল্লেখ করেন, বৈদেশিক মুদ্রার সমস্যা এবং অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বীজ সংরক্ষণের বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, হাইব্রিড ফসল চাষাবাদের গুরুত্ব সম্পর্কে ড. মো: জামিল হাসান আলোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, হাইব্রিড ফসল চাষে সাধারণ উফশী জাতের তুলনায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বেশি ফলন পাওয়া যায় এবং তা কম সময়ে ঘরে তোলা সম্ভব। কৃষকরা বর্তমানে প্রথাগত জাতের তুলনায় হাইব্রিড জাতের বীজের প্রতি বেশি ঝুঁকছেন। ড. জামিল বলেন, উন্নত গুণগত মান এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কারণে কৃষকরা হাইব্রিড জাতের দিকে বেশি ধাবিত হচ্ছেন। ফলে দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাইব্রিড ফসলের চাষাবাদ খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।