বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

গ্রিড বিপর্যয়ের কারণ খুঁজতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি, প্রতিবেদন দিতে হবে পাঁচ কর্মদিবসে

ঢাকার পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামের একাংশে মঙ্গলবারের বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ খুঁজতে কমিটি গঠন করেছে পাওয়ার গ্রিড পিএলসি।

ঢাকার পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামের একাংশে মঙ্গলবার ঘটে যাওয়া জাতীয় গ্রিড বিপর্যয়ের কারণ খুঁজে বের করতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ পিএলসি। প্রতিষ্ঠানটির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে করণীয় সম্পর্কে মতামত ও সুপারিশ তৈরির জন্য পাঁচ সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। কমিটির প্রধান সঞ্চালন-২–এর প্রধান প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সৈয়দ এবাদুল্লাহ হায়দার আলী। আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

মঙ্গলবার বেলা পৌনে একটার দিকে ঢাকার পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ চলে যায়। বিপর্যয়ের পর বেশ কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর একে একে কেন্দ্রগুলো চালু করা শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে সরবরাহ বাড়তে থাকে।

পাওয়ার গ্রিডের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরবরাহ স্বাভাবিক করতে প্রকৌশলীরা ধাপে ধাপে সংযোগ পুনঃস্থাপনের কাজ করছেন। জাতীয় গ্রিডের কার্যক্রম জাতীয় লোড ডেসপাচ সেন্টারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দেশের উত্তরাঞ্চলসহ অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল ও স্বাভাবিক আছে বলেও জানানো হয়।

দেশে এর আগেও জাতীয় গ্রিডে বড় বিপর্যয় ঘটেছে। ২০২২ সালের ৪ অক্টোবর বেলা ২টা ৫ মিনিটে পূর্বাঞ্চলীয় গ্রিডে বিপর্যয় শুরু হলে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহসহ দেশের বড় অংশ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে; তিন থেকে আট ঘণ্টার মধ্যে ধাপে ধাপে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়। তার আগে ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর গ্রিড বিপর্যয়ে সারা দেশে প্রায় ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল।