বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুর-বিড়ালের অবাধ বিচরণে রোগী ও স্বজনদের আতঙ্ক

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন স্থানে কুকুর-বিড়ালের অবাধ বিচরণে রোগী ও স্বজনরা আতঙ্কিত হচ্ছেন।

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন স্থানে কুকুর ও বিড়ালের অবাধ বিচরণের কারণে রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রতিদিন এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা বিভিন্ন বয়সের রোগীরা কুকুর দেখে ভীত হচ্ছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালের বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ, ডায়রিয়া ওয়ার্ড, ডেলিভারি ওয়ার্ডসহ রোগীদের চলাচলের বিভিন্ন স্থানে দলবেঁধে কুকুর ঘোরাফেরা করছে। এমনকি হাসপাতালের ফ্লোরেও কয়েকটি কুকুরকে শুয়ে থাকতে দেখা যায়, তাড়ালেও তারা সরে না। হাসপাতালের ইমারজেন্সি ওয়ার্ড দিয়ে যাওয়ার সময় মীম আক্তার নামে এক রোগী কুকুর দেখে ভয় পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, “আমরা হাসপাতালের ইমারজেন্সি ওয়ার্ড দিয়ে যাওয়ার সময় কুকুর দেখে ভয় পাই। কয়েকটি কুকুর হাসপাতালের ফ্লোরে শুয়ে আছে। তাড়ালেও সরে না। পরে অন্য পথ দিয়ে হাসপাতালটির দ্বিতীয় তলায় যাই আমরা। হাসপাতালে আসার পর থেকেই বের হতে ভয় পাই।” আনোয়ার হোসেন নামে বহির্বিভাগে সেবা নিতে আসা একজন বলেন, “এত বড় একটি হাসপাতাল আর সেখানে অনায়াসে কুকুর ঢুকছে। কুকুরগুলো এই হাসপাতালটির পরিবেশ নষ্ট করছে। যদি কাউকে কামড় দেয় তাহলে কি উপায় হবে?” রোগী ও স্বজনরা আশঙ্কা করছেন, হাসপাতালের চত্বরে কুকুরের অবাধ বিচরণে যেকোনো সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে, বিশেষ করে শিশু ও অসুস্থ রোগীদের কাছাকাছি কুকুর চলে এলে তারা আতঙ্কিত হচ্ছেন। মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আহসান হাবিব এ বিষয়ে জানিয়েছেন যে, বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে, জামালপুরের সিভিল সার্জন ডা: মোহাম্মদ আজিজুল হক বলেন, শুধু হাসপাতাল নয়, সর্বত্রই কুকুরের উৎপাত বেড়েছে। এ বিষয়ে জেলার সর্বোচ্চ মহলের সভায় আলোচনা হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত হয়েছে যে কুকুরগুলোকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে।