কুমিল্লায় অপরিম হত্যা: তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত
অপরিম হত্যার আসামি তুহিনের স্বীকারোক্তি, পুলিশ ও আদালতের যৌথ সহযোগিতা
কুমিল্লায় গত ২০ সেপ্টেম্বর ইশায়াত শাহরিয়ার অপরিমের খুনের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি অপরিম। এরপর শনিবার লালমাই পাহাড়ের নিকটে একটি নির্জন এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের সঙ্গে আসামীদের যৌথ অভিযানের মাধ্যমে অপরিমের মৃত্যুর ১২ ঘণ্টার মধ্যেই সন্দেহভাজন হত্যাকারী তুহিনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তুহিন অপরিম হত্যার দায় স্বীকার করে নেয়।
অপরিমের নিখোঁজ হওয়ার সময় তার মায়ের আইফোনটি তার সঙ্গে পাওয়া যায়নি। পুলিশের অনুসন্ধানে সেটি পরে তুহিনের কাছ থেকে পুনরুদ্ধার করা হয়। এ সময় অপরিমের শরীরে মাথার আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। কিশোর অপরাধ চক্রের প্রাপ্তবয়স্ক কিছু সদস্যের সঙ্গে অপরিমের সম্পর্ক ছিল বলে জানা যায়। অপরাধ চক্রের সদস্যরা অপরিমের থেকে পাঁচ থেকে দশ বছর বড় ছিল।
তদন্তের অংশ হিসেবে কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমেদ এক বৈঠকের পর জানান যে, পুলিশের সক্রিয় ভূমিকার ফলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, রামিশা হত্যাকাণ্ডের মতো কুমিল্লা জেলার অপরিম হত্যার বিচার প্রক্রিয়ায়ও পুলিশ সম্পূর্ণভাবে সহযোগিতা করবে।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, "বিচার প্রক্রিয়ায় পুলিশ সাহায্য করবে। রামিশা হত্যা মামলার মতোই হবে অপরিম হত্যা মামলা।" এই বক্তব্যে তিনি বিবৃতি দেন যে পুলিশ যেকোনোভাবে তাদের ক্ষমতার ভেতরে থেকে দ্রুত এবং সুষ্ঠু বিচারের জন্য সর্বাত্মক সহায়তা দেবে।
থমথমে পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে তদন্ত কাজ অব্যাহত রয়েছে। সালাহউদ্দিন আহমেদ উল্লেখ করেন যে পুলিশ এবং আদালত উভয় পক্ষই দ্রুত এবং স্বচ্ছ তদন্ত ও বিচারের জন্য কাজ করছে। তদন্ত এবং বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনগণকে অবহিত করবে।