বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিমান চলাচলের নিরাপত্তাব্যবস্থা হালনাগাদের তাগিদ প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার

ঢাকায় তিন দিনের ৮ম আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনারের সমাপনীতে ২১টি দেশের সামরিক ও বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিমান চলাচলের নিরাপত্তাব্যবস্থাকেও যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এ কে এম শামছুল ইসলাম। আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, নিয়মিত প্রশিক্ষণ, পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো এবং সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন।

বুধবার ঢাকার একটি হোটেলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের যৌথ ব্যবস্থাপনায় তিন দিনব্যাপী ৮ম আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনার-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারে ২১টি দেশের সামরিক ও বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় বিমান সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলা দরকার। তাঁর ভাষ্য, নিরাপদ বিমান চলাচল শুধু দুর্ঘটনা প্রতিরোধের বিষয় নয়; এটি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, যাত্রীদের আস্থা এবং বিমান চলাচল খাতের টেকসই উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, মানুষের জীবন ও মূল্যবান সম্পদের সুরক্ষা, অপারেশনাল প্রস্তুতি বজায় রাখা এবং বিমান চলাচল খাতের টেকসই উন্নয়নে ফ্লাইট সেফটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তির ক্রমাগত অগ্রগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি সুদৃঢ় উড্ডয়ন নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলা, পেশাগত শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং কার্যকর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ওপর তিনি জোর দেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সেমিনারে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), বিজিবি, কোস্ট গার্ড, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, বিভিন্ন এয়ারলাইনস, ফ্লাইং একাডেমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, জরিপ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।