রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় ছোট ভাই মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামের ওপর হামলা এবং পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বড় ভাই মোহাম্মদ শামসুল রহমান। সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় বাগমারা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি হামলার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
লিখিত বক্তব্যে শামসুল রহমান জানান, গত ৪ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে উপজেলার মধ্যঝিনা এলাকায় নিজের বেগুনখেতে কাজ করার সময় শহিদুলের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তাঁর অভিযোগ, হামলাকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করেন এবং গলায় ছুরি চালানোর চেষ্টা করেন।
স্থানীয় লোকজন শহিদুলকে উদ্ধার করে প্রথমে বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তিনি এখন সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শামসুল রহমানের দাবি, তাঁর ভাই ২৫ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং বর্তমানে বাগমারা উপজেলা তারেক জিয়া প্রজন্ম দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলার পর তাঁদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, বোরহান নামে এক ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে দিয়ে শহিদুলসহ পরিবারের কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করিয়েছেন। মামলাটিকে তিনি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক উল্লেখ করে প্রত্যাহারের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপও চান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আহত শহিদুলের ভাই মঞ্জুর ও বাবুল হোসাইন, ছেলে ফিরোজ এবং ভাতিজা নূরে আলমসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।