বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালায় আবারও পরিবর্তন আসছে। সম্প্রতি নীতিমালা বদলানোর পর এখন পুনরায় আবেদন নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন কেউ কেউ।
গত বুধবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত সভায় বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। তবে নীতিমালার কোন কোন ধারায় পরিবর্তন হবে, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, তিন অধিদপ্তর এবং সভায় উপস্থিত একাধিক প্রতিষ্ঠানপ্রধানের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিজ জেলা, সমস্তর জটিলতা, এমপিওভুক্ত সব শিক্ষকের বদলি, ভুল চাহিদা ও আবেদন সম্পাদনাসহ নানা বিষয়ে সভায় মতামত এসেছে। কয়েকটি জটিলতা সমাধানের পক্ষে অধিকাংশ কর্মকর্তা ইতিবাচক মত দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে নীতিমালা সংশোধন করতে হবে বলে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সভায় মত দিয়েছেন। বদলির ফল প্রকাশের আগে নীতিমালা সংশোধন করার নীতিগত সিদ্ধান্তও হয়েছে। নীতিমালা সংশোধনের পর নতুন করে আবেদন নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কেউ কেউ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সভায় উপস্থিত এক কর্মকর্তা জানান, বদলি নীতিমালায় কিছু পরিবর্তন আসবে। নীতিমালা বদলের পর নতুন করে আবেদন নেওয়া হবে কি না, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তাঁর ভাষ্য, নীতিমালায় বড় পরিবর্তন এলে নতুন আবেদন নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, আবার নতুন আবেদন না-ও নেওয়া হতে পারে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিবের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিবসহ মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থিত অন্তত তিনজন কর্মকর্তা ও চারজন প্রতিষ্ঠানপ্রধানের বরাতে জানা গেছে, শিক্ষামন্ত্রী কর্মকর্তাদের জানান, এনটিআরসিএর সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বদলি দরকার।
বদলির আবেদন করা শিক্ষকেরা ফল প্রকাশের অপেক্ষায় আছেন। নীতিমালা কতটা বদলাবে এবং নতুন আবেদনের সুযোগ মিলবে কি না, তা জানতে তাঁদের আরও অপেক্ষা করতে হতে পারে।