বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

এশিয়ায় এল নিনোর ভয়াবহতা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকারগুলো

এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সরকারগুলো এল নিনোর সম্ভাব্য ভয়াবহতা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সরকারগুলো ২০২৩ সালের শেষ দিকে এবং ২০২৭ সালজুড়ে সম্ভাব্য ভয়াবহ এল নিনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, তাইওয়ান, ভারত এবং জাপান। এই সরকারগুলো খরা, দাবানল, টাইফুন এবং বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য দ্রুত প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) জানিয়েছে, এল নিনো পরিস্থিতিতে প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে পড়তে পারেন। শ্রীলঙ্কায় ইতোমধ্যে এক লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষ পানির সংকটে আছেন, যা এল নিনো পরিস্থিতি আরও ঘনীভূত করতে পারে। ভারতের কিছু এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তন ও মৌসুমি বৃষ্টিপাত ৫০ শতাংশ কমে যাওয়ায় ফসলের ফলন কমার আশঙ্কা রয়েছে, যা খাদ্যের দাম বাড়াতে পারে। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গত জুলাই মাস ছিল এযাবৎকালের সবচেয়ে শুষ্ক। সেখানে কয়েকদিন পরেই প্রবল বর্ষণ হয়। এছাড়াও তাইওয়ান তার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে মহড়া সম্পন্ন করেছে, যেখানে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। জাপানে সুপার টাইফুনের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই কড়া গ্রীষ্মের মধ্যেও তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এল নিনোর ভয়াবহতা সম্পর্কে সতর্ক করে বলেছেন, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ ‘আমাদের চোখের সামনেই আরও ভয়ংকর আকার নিচ্ছে’। বিশেষজ্ঞ এলিসা কাউর লুধার বলেন, খাদ্যনিরাপত্তাকে এখনই জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।