বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

পিমসে আগুনে আহত অবশেষে নবজাতকের মৃত্যু

আগস্টে পিমসের আগুন থেকে বেঁচে থাকা একমাত্র নবজাতক শুক্রবার মারা গেছে।

গত ২৬ আগস্ট পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস (পিমস) এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে, যেখানে ১৪ জন শিশু আগুনে পুড়ে মারা যায়। একই ঘটনার সময় এক শিশু নবজাতককে জীবন্ত উদ্ধার করেছিলেন নার্স রাজিয়া নুরিন। কিন্তু এই শিশু অবশেষে শুক্রবার মারা গেছে। শিশুটির মত্যুমান্না নিশ্চিত করেছেন ড. মুহাম্মদ সালমান। উন্নত চিকিৎসার জন্য নবজাতকের মরদেহ ও তার পরিবারকে হাসপাতালে খরচে এম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে শিশুটির জটিল স্বাস্থ্য পরিস্থিতি এবং অসুস্থতার কারণে তার জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। আগুনের কারণে পিমসে নিরাপত্তা ব্যবস্থার অবস্থা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকে। ডাক্তার জানাচ্ছেন যে, নবজাতকটি প্রসূতি হওয়ার পর থেকেই মারাত্মক স্বাস্থ্য সংকটে ছিল। আর এ কারণে তাকে উন্নত চিকিৎসা প্রদান করা সম্ভব হয়নি। আগুনের পর থেকে পরিবারের জন্য ৫ মিলিয়ন রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে, এমনটাই জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তবে প্রাথমিকভাবে গণনা করা হয়েছে যে পিমসের ব্যবস্থাপনা এ ঘটনার জন্য দায়ী। আগুনের পর পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ একটি কমিটি গঠন করেন ঘটনার তদন্তের জন্য। কমিটির প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে যে, এই ঘটনার জন্য পিমসের ব্যবস্থাপনা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে দায়ী। এছাড়াও আট জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কার্যক্রম চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটির রিপোর্টের উদ্ধৃতিতে বলা হয়েছে যে, প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতা প্রমাণিত হয়েছে এবং ব্যক্তিগত দায়িত্ব প্রয়োজনীয় প্রমাণের ওপর নির্ভর করবে। এ পরিস্থিতিতে পিমস ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দায়িত্বশীলভাবে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধ করার জন্য করণীয়তে মনোনিবেশ করার তাগিদ দিয়েছে।