বুধবার, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

দেবীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নারীসহ দুইজনের মৃত্যু, একজন অরক্ষিত তারে স্পৃষ্ট

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে পৃথক দুই দুর্ঘটনায় এক নারীসহ মোট দুইজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন।

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে পৃথক বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় এক নারীসহ মোট দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার সদর ইউনিয়নের সাহাপাড়া এবং সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নের মাস্টার এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। মৃত মোছা. আলেফা বেগম (৫৫) সাহাপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং জামিনুর রহমান (৪৮) সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নের মাস্টার এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। প্রথম ঘটনাটি ঘটে শনিবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে। সাহাপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন আলেফা বেগম। পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। একই দিনে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নের মাস্টার এলাকায়। জামিনুর রহমান নিজ ঘরের নবনির্মিত বাথরুমের ছাদ পরিষ্কার করতে গিয়েছিলেন। বাথরুমের ছাদে রাখা ঢালাইয়ের ইট নিচে ফেলে দেওয়ার পর পলিথিন সরাতে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াতেই ছাদের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ১১ হাজার ভোল্টের উচ্চচাপ সম্পন্ন অরক্ষিত বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের সংস্পর্শে আসেন তিনি। এতে জামিনুর ঘটনাস্থলেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে যান। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নিলেও পথেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান জানান, জামিনুরের ঘরের ওপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের লাইনটিতে কোনো সুরক্ষামূলক কাভার ছিল না। নবনির্মিত বাথরুমের ছাদ পরিষ্কার করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত তিনি ১১ হাজার ভোল্টের তারে স্পৃষ্ট হন। এ ঘটনায় দেবীগঞ্জ থানার ওসি মো. মুসা মিয়ার বক্তব্য নেওয়ার জন্য মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।