বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

বাংলাদেশের বিমানবন্দর নিরাপত্তায় ইউকের অডিটে উন্নতির প্রশংসা

হযরত শাহজালাল ও ওসমানী বিমানবন্দরের নিরাপত্তা যথাক্রমে ৯৪% ও ৯৮% স্কোর অর্জন করেছে।

বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অডিট সম্পন্ন করেছে যুক্তরাজ্যের পরিবহন বিভাগ। গত ২০ সেপ্টেম্বর এই অডিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হয়। হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর ৯৪% স্কোর অর্জন করে, যা ২০২৫ সালের তুলনায় ১% উন্নতি। অন্যদিকে, ওসমানী বিমানবন্দর ৯৮% স্কোর অর্জন করে, যা গত বছরের তুলনায় ৪% উন্নতি। এতে বোঝা যায়, বাংলাদেশের বিমানবন্দর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আশানুরূপ উন্নতি হয়েছে। সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অফ বাংলাদেশ (সিএএবি) এই অডিটের প্রতিবেদনকে স্বাগত জানিয়েছে এবং অতিরিক্ত কার্গো নিরাপত্তা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে ১০০% মান্যতা প্রাপ্তির কথা জানিয়েছে। এই উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে বিশেষ করে যুক্তরাজ্যগামী ট্রাফিকের নিরাপত্তা ব্যবস্থাতে। সিএএবি জানিয়েছে, সিএএবি সদর দপ্তর, হজরত শাহজালাল এবং ওসমানী বিমানবন্দর পরিদর্শন করবে আসন্ন আইসিএও অডিট। বাংলাদেশের বিমানবন্দর নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতির ফলে এই অডিটের ফলাফল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিএএবি এই প্রসঙ্গে জানিয়েছে যে, পূর্ণ মান্যতার অংশ হিসাবে কার্গো নিরাপত্তা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণ করে। ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ ইইউর উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ কার্গো এবং মেইল (এইচআরসিএম) নিয়মে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই সিন্ধান্তে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের প্রত্যাহারের প্রচেষ্টা শুরু করেছে। এয়ার কমোডর মো. আসিফ ইকবাল বলেছেন, “বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিভাগের সমন্বিত প্রচেষ্টা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সহযোগিতার কারণে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে।” এই অডিটের ফলাফল দেশের সিভিল এভিয়েশন ব্যবস্থার প্রতি বিশ্বস্ততা বাড়াতে সাহায্য করবে বলে মনে করছে সিএএবি। এই অডিটের ফলাফল বাংলাদেশকে আসন্ন আইসিএও অডিটের প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করবে। ২৬ অক্টোবর থেকে ৬ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত চলা আইসিএও অডিটে বাংলাদেশের বিমান নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা এবং বাস্তবায়ন মূল্যায়ন করা হবে।