ঢাবির নির্বাচনে দীর্ঘ ৬ বছরের বিরতি শেষে অনুষ্ঠিত ডাকসু এবং হল সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল চমকপ্রদ। প্রায় ৪০ হাজার ভোটারের মধ্যে অনেকেই প্রতি কেন্দ্রীয় ভোট এবং হল সংক্রান্ত ভোট—সর্বমোট ৪১টি প্রতিটি ভোটা—দেবার আগ্রহ দেখান।
ভোটগ্রহণ মসৃণভাবে শেষ হয়—কোনো বড় আইনশৃঙ্খলা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়াই। Chief Returning Officer প্রফেসর মো. জাসিম উদ্দিন বলেন, “যেতে থাকা ভোটারদের ৪ টার পরেও ভোট দিতে দেওয়া হবে।”
কিছু প্রার্থী ভোটজালিয়াতির অভিযোগ তুলেছেন। উদাহরণস্বরূপ, বিপি (Vice-President) প্রার্থীরা অভিযোগ করেছেন যে কিছু কেন্দ্রেই ভোট ডাকাতি বা অনিয়ম হয়েছে। তবে উমানা ফাতেমা, স্বতন্ত্র প্রার্থী, বলেন: “আমরা ফল প্রত্যাখ্যানের অবস্থায় নেই; আশা করি সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হবে।”
গণনা নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সেনেট ভবন থেকে শুরু হবে এবং আজ রাতেই ফল ঘোষণার পথ সুগম। হাই ভোটার উপস্থিতি ও নিরবিচ্ছিন্ন পরিচালনাকে কেন্দ্র করে নিশ্চিন্ততা আছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসনের মধ্যে।
এই নির্বাচনকে অনেকে ভবিষ্যতের জাতীয় রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ বলছেন। বিশেষ করে জুলাই গণআন্দোলনের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ছাত্ররাজনীতির এ ধরনের স্বচ্ছ, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নতুন মাত্রা দিচ্ছে