বুধবার, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬

ঢাবির হলে প্রকাশ্য ও গুপ্ত রাজনীতি নিষিদ্ধ, প্রক্টরের ঘোষণায় থামল বিক্ষোভ

আবাসিক হলে রাজনীতি নিষিদ্ধ

সংগৃহীত ছবি
ছবি: ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকবে ক্যাম্পাসে,ঢাবি উপাচার্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে প্রকাশ্য ও গুপ্ত রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এ ঘোষণা দেন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে প্রকাশ্য ও গুপ্ত রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এ ঘোষণা দেন তিনি।

দিনের শুরুতে ঢাবির ১৮টি হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে। এই ঘোষণার পর থেকেই ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং হল পর্যায়ে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। মধ্যরাতে বিভিন্ন হল থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়, যেখানে রোকেয়া হল ও শামসুন্নাহার হলের ছাত্রীরাও তালা ভেঙে অংশ নেন। রাত ১টার দিকে তারা রাজু ভাস্কর্যের সামনে সমবেত হয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন।

রাত ২টার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান ও প্রক্টর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক ঘণ্টা আলোচনা করেন। উপাচার্য জানান, ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই হলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেটি বহাল থাকবে এবং হল প্রশাসন নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। তবে শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণভাবে হল পলিটিক্স বন্ধের দাবি জানিয়ে ছয় দফা দাবি তুলে ধরেন, যার মধ্যে সব কমিটি বিলুপ্ত, গোপন সংগঠন উন্মোচন ও ডাকসু দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান ছিল।

শেষ পর্যন্ত প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ স্পষ্টভাবে ঘোষণা দেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে প্রকাশ্য ও গুপ্ত রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকবে।" তার ঘোষণায় শিক্ষার্থীরা হাততালি ও স্লোগানে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন— "এই মুহূর্তে খবর এল, হল পলিটিকস নিষিদ্ধ হলো।" এরপর রাত ৩টার দিকে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ হলে ফিরে যান।

— মো: ইসমাঈল হোসেন