ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সোমবার (১৮ আগস্ট) তাদের পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেছে। বিকালে চিফ রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফর্ম সংগ্রহের পর সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম সাদ্দাম জানান, “আমরা শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও প্রতিনিধিত্বশীল প্যানেল দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এতে ভিন্ন ভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে যোগ দেওয়া প্রার্থীরাও রয়েছেন।”
শীর্ষ পদপ্রার্থীরা
সহ-সভাপতি (ভিপি) : সাদিক কায়েম – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি, বর্তমানে কেন্দ্রীয় সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক।
সাধারণ সম্পাদক (জিএস) : এস এম ফরহাদ – বর্তমান ঢাবি শাখার সভাপতি।
সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) : মহিউদ্দিন খান – ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক।
মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন ইনকিলাব মঞ্চ থেকে যুক্ত হয়েছেন ফাতিমা তাসনীম জুমা।
সম্পাদক পদে প্রার্থীরা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক : ইকবাল হায়দার
কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক : উম্মে সালমা
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক : খান জসীম (সম্প্রতি একটি চোখ হারান)
সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক : নুরুল ইসলাম সাব্বির
ক্রীড়া সম্পাদক : আরমান হোসেন
ছাত্র পরিবহন সম্পাদক : আসিফ আব্দুল্লাহ
সমাজসেবা সম্পাদক : শরিফুল ইসলাম মুয়াজ
গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক : সাজ্জাদ হোসাইন খান
ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক : মাজহারুল ইসলাম
স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক : আব্দুল্লাহ আল মিনহাজ
মানবাধিকার ও আইনবিষয়ক সম্পাদক : সাখাওয়াত জাকারিয়া
নির্বাহী সদস্য পদে প্রার্থীরা
ঘোষিত তালিকায় আরও ১৩ জনকে নির্বাহী সদস্য পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন:
সর্বমিত্র চাকমা
ইমরান হোসাইন
বেলাল হোসেন অপু
জয়েন উদ্দিন সরকার তন্ময়
মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফ (বর্তমান ক্রীড়া সম্পাদক)
মাজহারুল ইসলাম মুজাহিদ (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ)
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন রাইসুল ইসলাম
সাবিকুন নাহার তামান্না (ছাত্রী সংস্থা)
আফসানা আক্তার (ছাত্রী সংস্থা)
শাহিউর রহমান
আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
রায়হান উদ্দিন
আনাস বিন মনির (স্টুডেন্টস এগেইনস্ট টর্চার প্ল্যাটফর্ম)
শিবিরের এ ঘোষণার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঠ আরও গরম হলো। এখন নজর থাকছে ভোটারদের দিকে—শিক্ষার্থীরা কাদের নেতৃত্ব বেছে নেবেন, তাই দেখার বিষয়।