ওআইসি জানায়, রোহিঙ্গারা এখনো নিপীড়ন, রাষ্ট্রহীনতা এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার। এক মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গা বর্তমানে বাংলাদেশ ও অন্যান্য রাষ্ট্রে শরণার্থী শিবিরে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে বসবাস করছে। অন্যদিকে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে হাজার হাজার রোহিঙ্গা এখনো বাস্তুচ্যুত অবস্থায় থেকে গণহত্যা, বৈষম্য ও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের মুখে রয়েছে।
ওআইসি আন্তর্জাতিক আদালত (ICJ)–এ চলমান বিচারপ্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়ে জানায়, যারা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অপরাধ করেছে, তাদের বিচারের আওতায় আনা জরুরি। সংগঠনটি মিয়ানমার সেনাবাহিনী এবং আরাকান আর্মিকে বিশেষভাবে আহ্বান জানায় যেন তারা আইসিজে প্রদত্ত নির্দেশনা মেনে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
ওআইসি বাংলাদেশের উদারতা ও মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করে জানিয়েছে, শরণার্থীদের আশ্রয় ও সহায়তা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ এবং অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রের অবদান আন্তর্জাতিকভাবে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
ওআইসি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছে রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে এবং মিয়ানমারকে আহ্বান করেছে যেন তারা নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ, স্বেচ্ছায় এবং টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
গণহত্যার এই অষ্টম বার্ষিকীতে ওআইসি রোহিঙ্গা মুসলিমদের সাহস ও দৃঢ়তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জানিয়েছে যে, তারা আন্তর্জাতিক পরিসরে রোহিঙ্গাদের অধিকারের পক্ষে অব্যাহতভাবে সোচ্চার থাকবে।