শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬

দামুড়হুদায় হাজিরা খাতা নিয়ে বিরোধে মাদরাসা সুপারকে কক্ষে আটকে মারধরের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

কুনিয়া চাদপুর দাখিল মাদরাসার সুপারের অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে স্থানীয় এক বিএনপি নেতা, কয়েকজন শিক্ষক ও বহিরাগত তাঁকে মারধর করেছেন।

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কুনিয়া চাদপুর দাখিল মাদরাসায় শিক্ষকদের হাজিরা খাতা নিজের দপ্তরে রাখাকে কেন্দ্র করে মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট আবু বকর সিদ্দিককে দরজা বন্ধ করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় মাদরাসার কয়েকজন শিক্ষক ও স্থানীয় বিএনপির এক নেতা জড়িত।

ভুক্তভোগী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, শিক্ষকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হাজিরা খাতা নিজের হেফাজতে রাখার কারণেই সহকারী শিক্ষক ইকবাল হোসেনসহ কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরে বিএনপির ওই নেতা, কয়েকজন শিক্ষক ও বহিরাগতরা তাঁর কক্ষে ঢুকে দরজা বন্ধ করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বেধড়ক মারধর করেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজও রয়েছে বলে জানা গেছে। সুপার জানান, এ পরিস্থিতিতে তিনি মাদরাসায় যাওয়া বন্ধ রেখেছেন।

ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা অফিস এবং দামুড়হুদা মডেল থানায় পৃথক তিনটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) উপজেলা শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মিকাইল হোসেন বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তাঁরা জানতে পেরেছেন; আগামী রোববার থেকে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হবে এবং প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি; অভিযোগ এখনো তদন্তাধীন।