বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর, ২০২৬

জাকসু নির্বাচনে লড়ছেন গোদাগাড়ীর আহসান লাবিব

সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক পদে লড়ছেন ছাত্র-অধিকার আন্দোলনে সক্রিয় এই তরুণ

আহসান লাবিব
ছবি: আহসান লাবিব

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং গোদাগাড়ীর কৃতি সন্তান আহসান লাবিব এবার জাহাঙ্গীরনগর কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ছাত্র আন্দোলন ও নেতৃত্বের অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ এই তরুণ শিক্ষার্থীদের মাঝে ইতোমধ্যেই ইতিবাচক সাড়া ফেলেছেন।

আহসান লাবিব রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সন্তান। তিনি বর্তমানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি ও জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। শিক্ষকদের কাছে তিনি একজন মেধাবী ও দায়িত্বশীল শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচিত।

 

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আহসান লাবিব সবসময় শিক্ষার্থীদের অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মানবিক মূল্যবোধের পক্ষে কথা বলেছেন। তিনি জুলাই আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক হিসেবে পরিচিতি পান এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
ছাত্র অধিকার ও সমতার প্রশ্নে সোচ্চার হওয়ায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতিতে এক নতুন কণ্ঠস্বর হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন।

 

জাকসু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রসঙ্গে আহসান লাবিব জানান, শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও মানবসম্পদ উন্নয়নই তাঁর মূল অঙ্গীকার। তিনি বলেন:

“আমি সবসময় চাই শিক্ষার্থীরা যেন সঠিক সুযোগ ও পরিবেশে নিজেদের বিকশিত করতে পারে। সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হলে আমি শিক্ষার্থীদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করব।”

শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যারিয়ার গাইডলাইন, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, সহায়তা কার্যক্রম ও সমাজসেবামূলক উদ্যোগ তাঁর অগ্রাধিকার।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা বলছেন, আহসান লাবিব সবসময় সহজ-সরল, বন্ধুসুলভ এবং সমস্যায় এগিয়ে আসা একজন মানুষ। শিক্ষার্থীদের অনেকে মনে করেন, তিনি নির্বাচিত হলে জাকসুর সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।

 

গোদাগাড়ীর এই তরুণ প্রার্থী কেবল একটি পদে লড়ছেন না, বরং তিনি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ভিন্নধর্মী নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তাঁর আন্তরিকতা, নেতৃত্বগুণ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা ইতোমধ্যেই শিক্ষার্থীদের মনে ইতিবাচক ছাপ ফেলেছে।